বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ.
জলবায়ু পরিবর্তন ও যুদ্ধজনিত কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে আগস্ট মাসে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বেড়ে ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।প্রতিবেদনের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, আগস্টে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের গড় মূল্যসূচক দাঁড়ায় ১৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে, যা জুলাইয়ে ছিল ১৩০ দশমিক ৮ পয়েন্ট। ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহ ও খরা, ‘এল নিনো’ আবহাওয়া পরিস্থিতির আশঙ্কা এবং ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের বিরূপ প্রভাবে বিশ্ব কৃষিপণ্যের বাজারে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো বলেন, ‘খাদ্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি মূলত বাজারে ঝুঁকি ফিরে আসার বড় সংকেত। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, জলবায়ুর আঘাত ও বাণিজ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আগামীতে খাদ্য সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে।’ সংস্থাটি জানায়, আগস্টে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, চিনি, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক একযোগে বেড়েছে।খাদ্যপণ্যের মধ্যে শস্যের মূল্যসূচক ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২০২৪ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। একই সময়ে ভোজ্যতেলের সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ এবং চিনির মূল্যসূচক লাফিয়ে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষ্ণসাগরে হামলার কারণে রাশিয়া ও ইউক্রেনের শস্য চালান ব্যাহত হওয়া এবং মার্কিন-ইরান সংঘাতের কারণে সারের সরবরাহ কমে যাওয়াকে এই সংকট বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।পৃথক এক প্রতিবেদনে এফএও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস ৩৪ লাখ মেট্রিক টন কমিয়ে ২৯৮ কোটি টন নির্ধারণ করেছে। এটি আগের বছর ২০২৫ সালের তুলনায় ২ শতাংশ কম, যা ২০১৮ সালের পর বিশ্বজুড়ে খাদ্যশস্য উৎপাদনে সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জলবায়ু পরিবর্তন ও যুদ্ধজনিত কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে আগস্ট মাসে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বেড়ে ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।
প্রতিবেদনের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, আগস্টে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের গড় মূল্যসূচক দাঁড়ায় ১৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে, যা জুলাইয়ে ছিল ১৩০ দশমিক ৮ পয়েন্ট। ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহ ও খরা, ‘এল নিনো’ আবহাওয়া পরিস্থিতির আশঙ্কা এবং ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের বিরূপ প্রভাবে বিশ্ব কৃষিপণ্যের বাজারে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো বলেন, ‘খাদ্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি মূলত বাজারে ঝুঁকি ফিরে আসার বড় সংকেত। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, জলবায়ুর আঘাত ও বাণিজ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আগামীতে খাদ্য সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে।’
খাদ্যপণ্যের মধ্যে শস্যের মূল্যসূচক ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২০২৪ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। একই সময়ে ভোজ্যতেলের সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ এবং চিনির মূল্যসূচক লাফিয়ে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষ্ণসাগরে হামলার কারণে রাশিয়া ও ইউক্রেনের শস্য চালান ব্যাহত হওয়া এবং মার্কিন-ইরান সংঘাতের কারণে সারের সরবরাহ কমে যাওয়াকে এই সংকট বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পৃথক এক প্রতিবেদনে এফএও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস ৩৪ লাখ মেট্রিক টন কমিয়ে ২৯৮ কোটি টন নির্ধারণ করেছে। এটি আগের বছর ২০২৫ সালের তুলনায় ২ শতাংশ কম, যা ২০১৮ সালের পর বিশ্বজুড়ে খাদ্যশস্য উৎপাদনে সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন।