হুথিদের হামলায় সৌদির জিজানে মসজিদসহ বহু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
হুথিদের হামলায় সৌদির জিজানে মসজিদসহ বহু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত.
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবের জিজান প্রদেশে একটি মসজিদসহ বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, হুথিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন জিজানে আঘাত হানে।জিজান ইয়েমেনের সীমান্তসংলগ্ন সৌদি প্রদেশ। হুথিদের হামলায় প্রদেশটির আল-তুয়াল জেলায় বেশ কয়েকটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র বলেছেন, বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুথিদের এ হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।এদিকে হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।এর আগে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবে বড় ধরনের হামলা চালায় হুথিরা। ওই দিন তারা আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন আহত হন।গত সপ্তাহে লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে হুথিরা। কয়েক দিনের মধ্যেই তারা ইয়েমেনি সেনাদের কাছ থেকে কয়েক শ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা দখল করে নেয়।এর ফলে ইয়েমেন সরকার লোহিত সাগরের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। এখন ওই এলাকায় সরাসরি যাওয়ার সুযোগও তাদের নেই।হুথিদের ওই অভিযানে ৫০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শত শত মানুষ। এ ছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। এরপর প্রায় চার বছর ওই অঞ্চল তুলনামূলক শান্ত ছিল। তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে।সূত্র: আলজাজিরা
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র বলেছেন, বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুথিদের এ হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।
এদিকে হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবে বড় ধরনের হামলা চালায় হুথিরা। ওই দিন তারা আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন আহত হন।
গত সপ্তাহে লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে হুথিরা। কয়েক দিনের মধ্যেই তারা ইয়েমেনি সেনাদের কাছ থেকে কয়েক শ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা দখল করে নেয়।
এর ফলে ইয়েমেন সরকার লোহিত সাগরের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। এখন ওই এলাকায় সরাসরি যাওয়ার সুযোগও তাদের নেই।
হুথিদের ওই অভিযানে ৫০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শত শত মানুষ। এ ছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।
হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। এরপর প্রায় চার বছর ওই অঞ্চল তুলনামূলক শান্ত ছিল। তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে।