খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, উপকৃত ৮৬১ রোগী.
দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এ কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেয়েছেন ৮৬১ জন রোগী।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে এ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।এতে সার্জারি, মেডিসিন, চর্মরোগ, স্ত্রীরোগ ও চক্ষু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন জোনের উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার রোগীদের হাসপাতালে আনার ব্যবস্থা করা হয়।যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে এসব এলাকার মানুষের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা গ্রহণ তুলনামূলকভাবে কঠিন। সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগের ফলে তাঁদের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ সহজ হয়েছে।পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতি ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিত মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এ কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেয়েছেন ৮৬১ জন রোগী।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে এ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এতে সার্জারি, মেডিসিন, চর্মরোগ, স্ত্রীরোগ ও চক্ষু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন জোনের উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার রোগীদের হাসপাতালে আনার ব্যবস্থা করা হয়।
যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে এসব এলাকার মানুষের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা গ্রহণ তুলনামূলকভাবে কঠিন। সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগের ফলে তাঁদের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ সহজ হয়েছে।
পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতি ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিত মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।