পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির.
পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন হাইকমিশনার। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তান বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে। এ জন্য ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে জনপ্রিয়। পাকিস্তানি তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের তৈরি পণ্য নিয়ে অক্টোবরে ঢাকায় বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে পাকিস্তানেও অনুরূপ বাণিজ্য মেলা আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে যৌথ উদ্যোগে পাকিস্তানের উদ্যোক্তাদের আগ্রহের কথাও জানান হাইকমিশনার।ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর কথা উল্লেখ করে ইমরান হায়দার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।বাংলাদেশি চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে পাকিস্তানের বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে আরও বেশি চা রপ্তানির আহ্বান জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক, পান, অন্যান্য কৃষিপণ্য ও ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।এ ছাড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাঁর দেশ কাজ করে যাচ্ছে।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন হাইকমিশনার। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তান বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে। এ জন্য ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে জনপ্রিয়। পাকিস্তানি তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের তৈরি পণ্য নিয়ে অক্টোবরে ঢাকায় বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে পাকিস্তানেও অনুরূপ বাণিজ্য মেলা আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে যৌথ উদ্যোগে পাকিস্তানের উদ্যোক্তাদের আগ্রহের কথাও জানান হাইকমিশনার।
ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর কথা উল্লেখ করে ইমরান হায়দার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশি চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে পাকিস্তানের বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে আরও বেশি চা রপ্তানির আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক, পান, অন্যান্য কৃষিপণ্য ও ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
এ ছাড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।
হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাঁর দেশ কাজ করে যাচ্ছে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।