ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’: চিফ হুইপ
ঢাকা প্রোব প্রতিবেদক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’: চিফ হুইপ.
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তির বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।চিফ হুইপ বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন অনৈতিক ও দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছে। বিএনপির মূলনীতি হলো—‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও বন্ধুদেশের দুটি জাহাজ একসঙ্গে এলে বন্ধুদেশের জাহাজ আগে খালাসের মতো দেশের স্বার্থবিরোধী অসংখ্য চুক্তি করা হয়েছিল। এসব চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছে সরকার।নুরুল ইসলাম মনি আরও বলেন, বন্ধুত্ব থাকবে, তবে তা হতে হবে পারস্পরিক স্বার্থ ও সমতার ভিত্তিতে। দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ জানায়নি। স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ না জানানোর ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।তিনি জানান, হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া ২০৫ কোটি ডলারের ঋণ পরিশোধ করেছে বর্তমান সরকার। দেশে বর্তমানে ১৬ লাখ টন সার মজুদ রয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা সমাধানেও সরকারের সদিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করেন তিনি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তির বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন অনৈতিক ও দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছে। বিএনপির মূলনীতি হলো—‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও বন্ধুদেশের দুটি জাহাজ একসঙ্গে এলে বন্ধুদেশের জাহাজ আগে খালাসের মতো দেশের স্বার্থবিরোধী অসংখ্য চুক্তি করা হয়েছিল। এসব চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছে সরকার।
নুরুল ইসলাম মনি আরও বলেন, বন্ধুত্ব থাকবে, তবে তা হতে হবে পারস্পরিক স্বার্থ ও সমতার ভিত্তিতে। দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ জানায়নি। স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ না জানানোর ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।
তিনি জানান, হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া ২০৫ কোটি ডলারের ঋণ পরিশোধ করেছে বর্তমান সরকার। দেশে বর্তমানে ১৬ লাখ টন সার মজুদ রয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা সমাধানেও সরকারের সদিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করেন তিনি।