বিরোধী দল লংমার্চের মাধ্যমে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে: রিজভী
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বিরোধী দল লংমার্চের মাধ্যমে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে: রিজভী.
সংসদে দাবি ও প্রস্তাব না তুলে রাজপথে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিরোধী দল রাজপথে লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে। দলটিকে এসব কর্মকাণ্ডের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেও দেখা যাচ্ছে। এটি স্পষ্টতই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।রিজভী বলেন, জনগণের সামনে উচ্চারণ করা যায় না— এমন শব্দও প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে বিরোধী দল সেটিকে দমন-পীড়ন হিসেবে তুলে ধরছে। এভাবে তারা গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে।জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বিরোধী দলের ভূমিকার সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দল শুধু সমালোচনা করছে। সংকট নিরসনে তাদের কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব নেই।তিনি বলেন, বিরোধী দল সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কোনো পরামর্শ না দিয়ে বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের রিজার্ভ বাড়ার মতো ইতিবাচক অর্জনগুলোও তারা জনগণের সামনে তুলে ধরছে না। বরং সেগুলো আড়াল করার চেষ্টা করছে।রিজভীর দাবি, সরকার ব্যর্থ হয়েছে— এমন অভিযোগ তুলে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করছে। তবে সাধারণ মানুষ তাদের এই ভূমিকা ভালোভাবে দেখছে না। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের মতো সংসদে দাবি ও প্রস্তাব না তুলে তারা রাজপথ বেছে নিয়েছে।বিএনপির এই নেতা বলেন, বিরোধীদের এমন কর্মকাণ্ড মূলত সরকারের সার্বিক উন্নয়নকে আড়াল করার অপচেষ্টা।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হয়েছে বলেও জানান রিজভী।দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটির প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যবহৃত সব বিলবোর্ড ও ব্যানার অবিলম্বে খুলে ফেলতে হবে।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং ও ডা. জাহিদুল কবিরসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সংসদে দাবি ও প্রস্তাব না তুলে রাজপথে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিরোধী দল রাজপথে লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে। দলটিকে এসব কর্মকাণ্ডের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেও দেখা যাচ্ছে। এটি স্পষ্টতই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।
রিজভী বলেন, জনগণের সামনে উচ্চারণ করা যায় না— এমন শব্দও প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে বিরোধী দল সেটিকে দমন-পীড়ন হিসেবে তুলে ধরছে। এভাবে তারা গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে।
জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বিরোধী দলের ভূমিকার সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দল শুধু সমালোচনা করছে। সংকট নিরসনে তাদের কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব নেই।
তিনি বলেন, বিরোধী দল সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কোনো পরামর্শ না দিয়ে বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের রিজার্ভ বাড়ার মতো ইতিবাচক অর্জনগুলোও তারা জনগণের সামনে তুলে ধরছে না। বরং সেগুলো আড়াল করার চেষ্টা করছে।
রিজভীর দাবি, সরকার ব্যর্থ হয়েছে— এমন অভিযোগ তুলে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করছে। তবে সাধারণ মানুষ তাদের এই ভূমিকা ভালোভাবে দেখছে না। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের মতো সংসদে দাবি ও প্রস্তাব না তুলে তারা রাজপথ বেছে নিয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিরোধীদের এমন কর্মকাণ্ড মূলত সরকারের সার্বিক উন্নয়নকে আড়াল করার অপচেষ্টা।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হয়েছে বলেও জানান রিজভী।
দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটির প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যবহৃত সব বিলবোর্ড ও ব্যানার অবিলম্বে খুলে ফেলতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং ও ডা. জাহিদুল কবিরসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।