সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের মিসাইল-ড্রোন হামলা.
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশ সময় রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এ তথ্য জানান।ইয়াহিয়া সারি বলেন, ঘাঁটিতে থাকা অস্ত্রের গুদাম ও কমান্ড সেন্টার হামলার লক্ষ্য ছিল। তাঁর দাবি, এসব স্থাপনা থেকে ইয়েমেন ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন পরিচালনা করা হচ্ছিল।তবে হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয়েছে, তা জানাননি হুথি সামরিক মুখপাত্র।গত সপ্তাহে ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির সরকারি বাহিনীর লড়াই শুরু হয়। ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে সৌদি আরব।হুথিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পেরএদিকে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসরমান হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ব্যবস্থা নেবে না—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্প বলেছেন, হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের অভিযানে হস্তক্ষেপ না করে।শনিবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে যান ট্রাম্প। সেখানে তাঁকে হুথিদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লড়াই করতে চায় না। তারা চায়, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়।এর মধ্যেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহের জন্য সৌদি আরবের একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।ট্রাম্পকে সৌদির তেল পাইপলাইনে হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ হামলার পেছনে ইরান জড়িত থাকতে পারে।সূত্র: এএফপি
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশ সময় রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এ তথ্য জানান।
ইয়াহিয়া সারি বলেন, ঘাঁটিতে থাকা অস্ত্রের গুদাম ও কমান্ড সেন্টার হামলার লক্ষ্য ছিল। তাঁর দাবি, এসব স্থাপনা থেকে ইয়েমেন ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন পরিচালনা করা হচ্ছিল।
তবে হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয়েছে, তা জানাননি হুথি সামরিক মুখপাত্র।
গত সপ্তাহে ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির সরকারি বাহিনীর লড়াই শুরু হয়। ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে সৌদি আরব।
হুথিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
এদিকে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসরমান হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ব্যবস্থা নেবে না—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেছেন, হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের অভিযানে হস্তক্ষেপ না করে।
শনিবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে যান ট্রাম্প। সেখানে তাঁকে হুথিদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লড়াই করতে চায় না। তারা চায়, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়।
এর মধ্যেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহের জন্য সৌদি আরবের একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।
ট্রাম্পকে সৌদির তেল পাইপলাইনে হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ হামলার পেছনে ইরান জড়িত থাকতে পারে।