ইরান যুদ্ধে ফুরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইরান যুদ্ধে ফুরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা.
সিএনএনের প্রতিবেদন. ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে ফেলেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।এর আগে রয়টার্স ও সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘ-পাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুতেরও বড় একটি অংশ ব্যবহার করেছে।সিএনএনের প্রতিবেদনে দুজন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে যে পরিমাণ থাড ইন্টারসেপ্টর ছিল, তার প্রায় চার-পঞ্চমাংশ (৮০ শতাংশ) ব্যবহৃত হয়ে গেছে। একই সময়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও খরচ হয়েছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে ইরানের সম্ভাব্য পালটা হামলা নিয়ে উদ্বেগের কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা থেকে সরে আসেন।তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং হোয়াইট হাউস এই দাবি নিয়ে উদ্বেগকে গুরুত্ব দেয়নি।পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল সিএনএনকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী। প্রেসিডেন্ট যখন, যেখানে এবং যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সেই অভিযান পরিচালনার জন্য আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা রয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সব কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ এবং তারও বেশি প্রয়োজন মেটানোর মতো পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে ফেলেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে রয়টার্স ও সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘ-পাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুতেরও বড় একটি অংশ ব্যবহার করেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে দুজন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে যে পরিমাণ থাড ইন্টারসেপ্টর ছিল, তার প্রায় চার-পঞ্চমাংশ (৮০ শতাংশ) ব্যবহৃত হয়ে গেছে। একই সময়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও খরচ হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে ইরানের সম্ভাব্য পালটা হামলা নিয়ে উদ্বেগের কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা থেকে সরে আসেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং হোয়াইট হাউস এই দাবি নিয়ে উদ্বেগকে গুরুত্ব দেয়নি।
পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল সিএনএনকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী। প্রেসিডেন্ট যখন, যেখানে এবং যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সেই অভিযান পরিচালনার জন্য আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সব কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ এবং তারও বেশি প্রয়োজন মেটানোর মতো পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।’