নেপালে বন্যায় নিহত বেড়ে ৯৫, সংখ্যা আরও বাড়তে পারে.
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন ৩৮৪ জন পর্যটক, যাদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক।বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে আটটার দিকে নেপালের রসুয়া জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিবিসি জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালের সবচেয়ে বড় দুর্যোগ।স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত ৯৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর আগে সিএনএস ১৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল। কর্তৃপক্ষ বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানায়, তারা মোট ৩৮৪ জন পর্যটককে নিখোঁজ হিসেবে শনাক্ত করেছে। এদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। নিখোঁজদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ১২ জন নাগরিকও রয়েছেন। পর্যটন বোর্ড জানায়, সীমান্তের দুই পাশেই জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।কাঠমাণ্ডুর উত্তরে অবস্থিত রসুয়া জেলায় এই বন্যা আঘাত হানে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, ভূমিকম্পের পর তুষারধস শুরু হয়, যা থেকে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। তবে তথ্য এখনো যাচাই করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। নেপালের পাশাপাশি চীনও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি।একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কল্পনাতীত। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, তার পর এটিই নেপালের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ। চীন-নেপাল সীমান্তের নিচু এলাকার কয়েকটি জেলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, সেখানে প্রাণহানি ও সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তবে এখনো সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি।ভোটকোশী নদীর তীরে রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার কয়েকটি জনবসতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জনবিরল হলেও এই এলাকার সড়কগুলো নেপাল-চীন বাণিজ্যের প্রধান রুট। বন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, মহাসড়ক ও সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধসে পড়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন ৩৮৪ জন পর্যটক, যাদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে আটটার দিকে নেপালের রসুয়া জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিবিসি জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালের সবচেয়ে বড় দুর্যোগ।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত ৯৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর আগে সিএনএস ১৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল। কর্তৃপক্ষ বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানায়, তারা মোট ৩৮৪ জন পর্যটককে নিখোঁজ হিসেবে শনাক্ত করেছে। এদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। নিখোঁজদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ১২ জন নাগরিকও রয়েছেন। পর্যটন বোর্ড জানায়, সীমান্তের দুই পাশেই জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
কাঠমাণ্ডুর উত্তরে অবস্থিত রসুয়া জেলায় এই বন্যা আঘাত হানে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, ভূমিকম্পের পর তুষারধস শুরু হয়, যা থেকে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। তবে তথ্য এখনো যাচাই করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। নেপালের পাশাপাশি চীনও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি।
একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কল্পনাতীত। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, তার পর এটিই নেপালের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ। চীন-নেপাল সীমান্তের নিচু এলাকার কয়েকটি জেলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, সেখানে প্রাণহানি ও সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তবে এখনো সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি।
ভোটকোশী নদীর তীরে রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার কয়েকটি জনবসতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জনবিরল হলেও এই এলাকার সড়কগুলো নেপাল-চীন বাণিজ্যের প্রধান রুট। বন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, মহাসড়ক ও সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধসে পড়েছে।