শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী: স্পিকার হাফিজ.
শেখ হাসিনাকে বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন শেখ হাসিনা। অথচ তাঁর ভেতরে গুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার হিংস্র মনোভাব লুকিয়ে ছিল।
শনিবার সকাল ১১টার দিকে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের শেখ হাসিনা আশ্বস্ত করতেন যে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। অথচ তিনি নিজেই জানতেন, গুম হওয়া ব্যক্তিরা কোথায় আছেন।
স্পিকার বলেন, এসব আচরণ ও অভিনয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর অভিনয় করেছেন। তখন জনগণ বিষয়টি বুঝতে পারেনি। এখন সবকিছু পরিষ্কার হয়েছে। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়গুলো জনগণের কাছে প্রমাণিত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শেখ হাসিনা নিজেই গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন বলে মন্তব্য করেন হাফিজ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ১৭ বছরের কৃতকর্মের কারণে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। প্রধান বিচারপতিও পালিয়েছেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের ইমামও পালিয়ে গেছেন। ১৭ বছর যে যে পদে ছিলেন, তাঁদের অনেকে পালিয়েছেন। ক্যান্টনমেন্টে ৬০০ পুলিশ কর্মকর্তা আশ্রয় নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে খুশি করতে এবং নিজেদের লাভের জন্য পুলিশ বিভিন্ন থানায় মানুষের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন করেছে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে পিয়ন-চাপরাশি পর্যন্ত অনেকে পালিয়েছেন।
বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর কর্মকাণ্ডের কথা মানুষ দেখেছে। তাঁর অভিযোগ, বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ জায়গাজমি স্ত্রী, পুত্র ও কন্যার নামে লিখে নিয়েছেন। বনাঞ্চলও নিজের দখলে নিয়েছেন। তাঁর অনেক বাড়িঘর রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্পিকার।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অনেক সম্পদ রয়েছে। লালমোহনেও যাঁরা বিনা ভোটে তথাকথিত এমপি হয়েছিলেন, তাঁদের সম্পদের পরিমাণ কত, তা আল্লাহই জানেন। গ্রাম, ঢাকা ও বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের সম্পদ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি করার নামে তাঁরা এসব সম্পদ করেছেন। একের পর এক ক্ষমতায় এসে লুটপাট করে চলে গেছেন। এ কারণেই মানুষ বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের দেখতে পারে না।
মতবিনিময়সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েত, পৌর বিএনপির সভাপতি ছাদেক জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদল সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
শেখ হাসিনাকে বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন শেখ হাসিনা। অথচ তাঁর ভেতরে গুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার হিংস্র মনোভাব লুকিয়ে ছিল।
শনিবার সকাল ১১টার দিকে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের শেখ হাসিনা আশ্বস্ত করতেন যে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। অথচ তিনি নিজেই জানতেন, গুম হওয়া ব্যক্তিরা কোথায় আছেন।
স্পিকার বলেন, এসব আচরণ ও অভিনয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর অভিনয় করেছেন। তখন জনগণ বিষয়টি বুঝতে পারেনি। এখন সবকিছু পরিষ্কার হয়েছে। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়গুলো জনগণের কাছে প্রমাণিত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শেখ হাসিনা নিজেই গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন বলে মন্তব্য করেন হাফিজ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ১৭ বছরের কৃতকর্মের কারণে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। প্রধান বিচারপতিও পালিয়েছেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের ইমামও পালিয়ে গেছেন। ১৭ বছর যে যে পদে ছিলেন, তাঁদের অনেকে পালিয়েছেন। ক্যান্টনমেন্টে ৬০০ পুলিশ কর্মকর্তা আশ্রয় নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে খুশি করতে এবং নিজেদের লাভের জন্য পুলিশ বিভিন্ন থানায় মানুষের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন করেছে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে পিয়ন-চাপরাশি পর্যন্ত অনেকে পালিয়েছেন।
বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর কর্মকাণ্ডের কথা মানুষ দেখেছে। তাঁর অভিযোগ, বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ জায়গাজমি স্ত্রী, পুত্র ও কন্যার নামে লিখে নিয়েছেন। বনাঞ্চলও নিজের দখলে নিয়েছেন। তাঁর অনেক বাড়িঘর রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্পিকার।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অনেক সম্পদ রয়েছে। লালমোহনেও যাঁরা বিনা ভোটে তথাকথিত এমপি হয়েছিলেন, তাঁদের সম্পদের পরিমাণ কত, তা আল্লাহই জানেন। গ্রাম, ঢাকা ও বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের সম্পদ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি করার নামে তাঁরা এসব সম্পদ করেছেন। একের পর এক ক্ষমতায় এসে লুটপাট করে চলে গেছেন। এ কারণেই মানুষ বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের দেখতে পারে না।
মতবিনিময়সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েত, পৌর বিএনপির সভাপতি ছাদেক জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদল সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।