নেপালে বিদেশি পর্যটকসহ ৪৪৫১ জন উদ্ধার, কাজ করছেন দেড় হাজার কর্মী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
নেপালে বিদেশি পর্যটকসহ ৪৪৫১ জন উদ্ধার, কাজ করছেন দেড় হাজার কর্মী.
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস. নেপালে বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের সহায়তায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। রাখীবন্ধন উপলক্ষ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ১৫ হাজার ৪৩১ সদস্য কাজ করছেন।ভোতে কোশী ও ত্রিশুলি করিডোরসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৫১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ১৯১ জন শ্রমিকও রয়েছেন।উদ্ধারকাজে বিমান বাহিনী ও বেসরকারি খাতের ১৬টি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলো দিয়ে ৯৯টি সফল ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে।এ ছাড়া আটকে পড়া ১২৯ জন বিদেশি পর্যটককে উদ্ধার করে শনাক্ত করা হয়েছে।দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ও অবকাঠামো স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কাঠমান্ডু-মুগলিং মহাসড়ক চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থাও তৈরি করা হয়েছে।সাময়িক যোগাযোগব্যবস্থা চালু রাখতে ভারত ও চীনের কাছে ১০টি বেইলি সেতু চাওয়া হয়েছে।দুর্যোগ মোকাবিলায় গঠিত ত্রাণ তহবিলে ৩৬ ঘণ্টায় ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন রুপি জমা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা তাদের এক মাসের বেতন তহবিলে দিয়েছেন।দুর্যোগকবলিত এলাকায় চিকিৎসা, খাবার পানি ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ চলছে। দ্রুত টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎব্যবস্থা পুনরায় চালুর কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নেপালে বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের সহায়তায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। রাখীবন্ধন উপলক্ষ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ১৫ হাজার ৪৩১ সদস্য কাজ করছেন।
ভোতে কোশী ও ত্রিশুলি করিডোরসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৫১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ১৯১ জন শ্রমিকও রয়েছেন।
উদ্ধারকাজে বিমান বাহিনী ও বেসরকারি খাতের ১৬টি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলো দিয়ে ৯৯টি সফল ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে।
এ ছাড়া আটকে পড়া ১২৯ জন বিদেশি পর্যটককে উদ্ধার করে শনাক্ত করা হয়েছে।
দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ও অবকাঠামো স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কাঠমান্ডু-মুগলিং মহাসড়ক চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থাও তৈরি করা হয়েছে।
সাময়িক যোগাযোগব্যবস্থা চালু রাখতে ভারত ও চীনের কাছে ১০টি বেইলি সেতু চাওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় গঠিত ত্রাণ তহবিলে ৩৬ ঘণ্টায় ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন রুপি জমা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা তাদের এক মাসের বেতন তহবিলে দিয়েছেন।
দুর্যোগকবলিত এলাকায় চিকিৎসা, খাবার পানি ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ চলছে। দ্রুত টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎব্যবস্থা পুনরায় চালুর কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।