পদ্মায় নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা রকির মরদেহ উদ্ধার.
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নিখোঁজ ঝিনাইদহের শৈলকুপার পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাকিবুজ্জামান রকির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।নিখোঁজের ৩৫ ঘণ্টা পর রবিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এর আগে গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে ১৩০ জন যাত্রী বহনকারী বাল্কহেডের সঙ্গে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারের ধাক্কায় পানিতে পড়ে প্রথমে ৩ জন নিখোঁজ হন। দুজনকে উদ্ধার করা হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন। নৌকা ভ্রমণে আসা যাত্রীরা জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপার কাতলা গাড়ি ঘাট থেকে ১৩০ ভ্রমণকারীদের সঙ্গে তারা ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে আসেন। এ ছাড়া ওই নৌকাতে মাঝিসহ আরো বেশ কয়েকজন লোক ছিল।মাজার বেড়ানো শেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে তারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছায়। এ সময় প্রচণ্ড স্রোতে হার্ডিংঞ্জ ব্রিজের চার নম্বর পিলারের সঙ্গে বাল্কহেডের পেছনের অংশের ধাক্কা লাগে। এ সময় রকি, লিটন ও ওহাব নদীতে পড়ে যায়। লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন।খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস, ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করে।ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুর রহমান বলেন, রকিকে উদ্ধারের জন্য নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ বেশ কিছু ইউনিট কাজ করছিল। এ অবস্থায় আজ সকালে দুর্ঘটনাস্থলের অদুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে পদ্মা নদীতে তার মরদেহ ভেসে উঠে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নিখোঁজের ৩৫ ঘণ্টা পর রবিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে ১৩০ জন যাত্রী বহনকারী বাল্কহেডের সঙ্গে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারের ধাক্কায় পানিতে পড়ে প্রথমে ৩ জন নিখোঁজ হন। দুজনকে উদ্ধার করা হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন।
নৌকা ভ্রমণে আসা যাত্রীরা জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপার কাতলা গাড়ি ঘাট থেকে ১৩০ ভ্রমণকারীদের সঙ্গে তারা ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে আসেন। এ ছাড়া ওই নৌকাতে মাঝিসহ আরো বেশ কয়েকজন লোক ছিল।
মাজার বেড়ানো শেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে তারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছায়। এ সময় প্রচণ্ড স্রোতে হার্ডিংঞ্জ ব্রিজের চার নম্বর পিলারের সঙ্গে বাল্কহেডের পেছনের অংশের ধাক্কা লাগে। এ সময় রকি, লিটন ও ওহাব নদীতে পড়ে যায়। লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন।
খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস, ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করে।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুর রহমান বলেন, রকিকে উদ্ধারের জন্য নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ বেশ কিছু ইউনিট কাজ করছিল। এ অবস্থায় আজ সকালে দুর্ঘটনাস্থলের অদুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে পদ্মা নদীতে তার মরদেহ ভেসে উঠে।