একদিনে মরক্কো থেকে সাঁতরে-সীমানা টপকে স্পেনের ভুখণ্ডে ঢুকল ৫০ হাজার মানুষ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
একদিনে মরক্কো থেকে সাঁতরে-সীমানা টপকে স্পেনের ভুখণ্ডে ঢুকল ৫০ হাজার মানুষ.
সাগর থেকে উদ্ধার ১৮ মরদেহ. মরক্কো থেকে সাঁতরে ও সীমান্ত প্রাচীর টপকে মাত্র একদিনের ব্যবধানে স্পেনের স্বায়ত্ত্বশাসিত ভূখণ্ড সেউতাকে প্রবেশ করেছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। মরক্কোর সীমান্তের সঙ্গে লাগোয়া শহর হলো সেউতা। স্পেনের মূল ভূখণ্ড সাগরের ওই প্রান্তে হলেও সেউতা ঐতিহাসিকভাবে স্পেনেরই অংশ। সেউতা ও স্পেনের মধ্যে বয়ে গেছে জিব্রাল্টার প্রণালি।এসব মানুষ মূলত ইউরোপে প্রবেশের জন্য সেউতাতে ঢুকছেন। সেউতাতে প্রবেশের মাধ্যমে তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অঞ্চলে প্রবেশ করেছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে গতকাল বৃহস্পতিবার হাজার হাজার মানুষ সমুদ্রে সাঁতরে সেউতাতে ঢুকছেন। অনেকে সীমান্ত বেড়া টপকে আসছেন। একসঙ্গে এত মানুষ আসায় নিরাপত্তাবাহিনীও কিছু করতে পারছিল না। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাতের বেলাও মানুষের ঢল অব্যাহত ছিল। তবে এই যাত্রায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন।কেন হঠাৎ মানুষের এ ঢল?সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট চলতি মাসে একটি রায় দেন। এতে বলা হয়, যেসব মানুষ সাগরপথে সেউতা অথবা মেলিলাতে প্রবেশের চেষ্টা করেন তাদের আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে মরক্কোতে পাঠানো যাবে না। এই রায়ের পরই ঝাঁকে ঝাঁকে ঢলের মতো মানুষ এখানে আসা শুরু করেন। এরমধ্যে গতকাল শুধুমাত্র একদিনের ব্যবধানে প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসী প্রত্যাশী এই শহরটিতে প্রবেশ করেছেন।যেখানে সেউতার মোট জনগনই হলেন মাত্র ৮৪ হাজার। অভিবাসীদের এই ঢলের পর সেউতার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সহায়তা চায়। এরপর সেখানে সেনা মোতায়েন করা হয়। কিন্তু গতকাল সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে যায়।সূত্র: বিবিসি
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মরক্কো থেকে সাঁতরে ও সীমান্ত প্রাচীর টপকে মাত্র একদিনের ব্যবধানে স্পেনের স্বায়ত্ত্বশাসিত ভূখণ্ড সেউতাকে প্রবেশ করেছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। মরক্কোর সীমান্তের সঙ্গে লাগোয়া শহর হলো সেউতা। স্পেনের মূল ভূখণ্ড সাগরের ওই প্রান্তে হলেও সেউতা ঐতিহাসিকভাবে স্পেনেরই অংশ। সেউতা ও স্পেনের মধ্যে বয়ে গেছে জিব্রাল্টার প্রণালি।
এসব মানুষ মূলত ইউরোপে প্রবেশের জন্য সেউতাতে ঢুকছেন। সেউতাতে প্রবেশের মাধ্যমে তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অঞ্চলে প্রবেশ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে গতকাল বৃহস্পতিবার হাজার হাজার মানুষ সমুদ্রে সাঁতরে সেউতাতে ঢুকছেন। অনেকে সীমান্ত বেড়া টপকে আসছেন। একসঙ্গে এত মানুষ আসায় নিরাপত্তাবাহিনীও কিছু করতে পারছিল না। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাতের বেলাও মানুষের ঢল অব্যাহত ছিল। তবে এই যাত্রায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন।
কেন হঠাৎ মানুষের এ ঢল?
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট চলতি মাসে একটি রায় দেন। এতে বলা হয়, যেসব মানুষ সাগরপথে সেউতা অথবা মেলিলাতে প্রবেশের চেষ্টা করেন তাদের আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে মরক্কোতে পাঠানো যাবে না। এই রায়ের পরই ঝাঁকে ঝাঁকে ঢলের মতো মানুষ এখানে আসা শুরু করেন। এরমধ্যে গতকাল শুধুমাত্র একদিনের ব্যবধানে প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসী প্রত্যাশী এই শহরটিতে প্রবেশ করেছেন।
যেখানে সেউতার মোট জনগনই হলেন মাত্র ৮৪ হাজার। অভিবাসীদের এই ঢলের পর সেউতার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সহায়তা চায়। এরপর সেখানে সেনা মোতায়েন করা হয়। কিন্তু গতকাল সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে যায়।