ফোন না ধরায় টিকিট কাউন্টারে গিয়ে মারধরের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ফোন না ধরায় টিকিট কাউন্টারে গিয়ে মারধরের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে.
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে ঢুকে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম মিয়া।ঘটনায় কাউন্টার ম্যানেজার মহিন উদ্দিন সজিব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন আহত হয়েছেন।যুবদল নেতার নাম নাজমুল হুদা সানি। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।আহত কর্মীদের অভিযোগ, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের এজেন্টশিপ নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন সানি। তবে ট্রেনটির ইজারাদার প্রতিষ্ঠান তাকে এজেন্টশিপ না দেওয়ায় তার ক্ষোভ ছিল।তাদের ভাষ্য, সকালে সানি বুকিং ক্লার্ক কাউসারকে ফোন করেন। কাউসার ফোন না ধরায় তিনি কাউন্টারে গিয়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে কাউন্টার ম্যানেজার সজিবকেও মারধর করা হয়।এ ঘটনার পর কর্মীরা কাউন্টার বন্ধ করে দেন। সাময়িকভাবে টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা সানি। তিনি বলেন, কাউন্টারের কর্মীরা বেশি দামে কালোবাজারিদের কাছে টিকিট বিক্রি করেন বলে যাত্রীরা তাকে জানিয়েছেন।সানির দাবি, ৩০০ থেকে ৪০০টি টিকিট থাকলেও যাত্রীদের দেওয়া হয় ১০০টি। বাকি টিকিট কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে জানতে কাউন্টারে গেলে কর্মীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। তবে তিনি কাউকে মারধর করেননি।স্টেশন মাস্টার মো. সাকির জাহান বলেন, কাউন্টার ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগের কথা তিনি শুনেছেন। তবে ঘটনার পর তারা কাউন্টার বন্ধ করে চলে যাওয়ায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
যুবদল নেতার নাম নাজমুল হুদা সানি। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
আহত কর্মীদের অভিযোগ, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের এজেন্টশিপ নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন সানি। তবে ট্রেনটির ইজারাদার প্রতিষ্ঠান তাকে এজেন্টশিপ না দেওয়ায় তার ক্ষোভ ছিল।
তাদের ভাষ্য, সকালে সানি বুকিং ক্লার্ক কাউসারকে ফোন করেন। কাউসার ফোন না ধরায় তিনি কাউন্টারে গিয়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে কাউন্টার ম্যানেজার সজিবকেও মারধর করা হয়।
এ ঘটনার পর কর্মীরা কাউন্টার বন্ধ করে দেন। সাময়িকভাবে টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা সানি। তিনি বলেন, কাউন্টারের কর্মীরা বেশি দামে কালোবাজারিদের কাছে টিকিট বিক্রি করেন বলে যাত্রীরা তাকে জানিয়েছেন।
সানির দাবি, ৩০০ থেকে ৪০০টি টিকিট থাকলেও যাত্রীদের দেওয়া হয় ১০০টি। বাকি টিকিট কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে জানতে কাউন্টারে গেলে কর্মীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। তবে তিনি কাউকে মারধর করেননি।
স্টেশন মাস্টার মো. সাকির জাহান বলেন, কাউন্টার ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগের কথা তিনি শুনেছেন। তবে ঘটনার পর তারা কাউন্টার বন্ধ করে চলে যাওয়ায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।