যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পরিবারের, গ্রেফতার দাবি
নীলফামারী প্রতিনিধি
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পরিবারের, গ্রেফতার দাবি.
নীলফামারীতে যৌতুকের জন্য নাছরিন নাহার (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সোমবার দুপুরে নীলফামারী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা।সংবাদ সম্মেলনে নাছরিনের বাবা আব্দুল জব্বার অভিযোগ করেন, হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের ফকিরগঞ্জ এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের সময় জামাইকে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। পরে আরও তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে নাছরিনকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি।পরিবারের অভিযোগ, গত ২৬ আগস্ট আরও তিন লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে এনে দেওয়ার জন্য নাছরিনকে চাপ দেন তাঁর স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। টাকা দিতে অপারগতা জানালে তাঁকে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।নাছরিনের ভাই আব্দুল গাফফার বলেন, ‘আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আব্দুল মান্নানের পরিবার তাঁকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। যে ঘরে মরদেহ ঝুলছিল, সেই ঘরের ভেতরে আরও একটি দরজা রয়েছে। ওই দরজা ব্যবহার করে আমার বোনকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে আমার ধারণা।’সংবাদ সম্মেলনে নাছরিনের ভাই আব্দুল গাফফার, বোন জিন্নাত আরা ও ভগ্নিপতি হাফিজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা, জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত এবং কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি যাতে তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে না পারেন তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করেন তাঁরা।নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, মৃত্যুর ঘটনায় নাছরিনের বাবা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলায় জামাতা আব্দুল মান্নান, তাঁর পুত্রবধূ আরিফা বেগম এবং দুই ছেলে আলমগীর হোসেন ও দেলোয়ার হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিরা বাড়িতে নেই; তাঁদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নীলফামারীতে যৌতুকের জন্য নাছরিন নাহার (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সোমবার দুপুরে নীলফামারী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে নাছরিনের বাবা আব্দুল জব্বার অভিযোগ করেন, হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের ফকিরগঞ্জ এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের সময় জামাইকে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। পরে আরও তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে নাছরিনকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরিবারের অভিযোগ, গত ২৬ আগস্ট আরও তিন লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে এনে দেওয়ার জন্য নাছরিনকে চাপ দেন তাঁর স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। টাকা দিতে অপারগতা জানালে তাঁকে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।
নাছরিনের ভাই আব্দুল গাফফার বলেন, ‘আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আব্দুল মান্নানের পরিবার তাঁকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। যে ঘরে মরদেহ ঝুলছিল, সেই ঘরের ভেতরে আরও একটি দরজা রয়েছে। ওই দরজা ব্যবহার করে আমার বোনকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে আমার ধারণা।’
সংবাদ সম্মেলনে নাছরিনের ভাই আব্দুল গাফফার, বোন জিন্নাত আরা ও ভগ্নিপতি হাফিজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা, জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত এবং কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি যাতে তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে না পারেন তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করেন তাঁরা।
নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, মৃত্যুর ঘটনায় নাছরিনের বাবা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলায় জামাতা আব্দুল মান্নান, তাঁর পুত্রবধূ আরিফা বেগম এবং দুই ছেলে আলমগীর হোসেন ও দেলোয়ার হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিরা বাড়িতে নেই; তাঁদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।