হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী রীতিতে শুভ চন্দ্রের দাফন সম্পন্ন
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ AM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী রীতিতে শুভ চন্দ্রের দাফন সম্পন্ন.
অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী রীতি অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে ধর্মান্তরিত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালের মরদেহ। রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জ নগরীর মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে পুলিশি পাহারায় জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।গত ৫ সেপ্টেম্বর মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে নারায়ণগঞ্জ শহরে গুলিতে নিহত হন শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লাল। তাঁর মৃত্যুর পর মরদেহের শেষকৃত্য নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।নিহতের সনাতন ধর্মাবলম্বী বাবা হিন্দু রীতি অনুযায়ী ছেলের সৎকারের দাবি জানান। অন্যদিকে স্ত্রী, মা, ভাই ও বোন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন জানিয়ে বিল্লালের মরদেহ ইসলামী রীতি অনুযায়ী দাফনের দাবি করেন।এ নিয়ে বিল্লালের স্ত্রী জ্যোতি হাইকোর্টে রিট করেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মুহাম্মদ ইকবাল কবির ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের বেঞ্চে ওই রিটের শুনানি হয়। পরে রোববার হাইকোর্ট বিল্লালের মরদেহ তাঁর স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তর এবং ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী দাফনের আদেশ দেন।পরিবারের দাবি, ২০০৩ সালের ২৬ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে করা এফিডেভিটে শুভ, তাঁর মা পার্বতী রাণী দাস ও ভাই সজীব চন্দ্র দাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।পরে শুভর নাম রাখা হয় মো. বিল্লাল। তিনি মাদ্রাসায়ও পড়াশোনা করেন। পরে রূপগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের মেয়ে জ্যোতিকে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে করেন বিল্লাল। তাঁদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।আইনি জটিলতার কারণে এত দিন বিল্লালের মরদেহ পুলিশের তত্ত্বাবধানে হিমঘরে রাখা হয়েছিল।হাইকোর্টের আদেশের পর মরদেহটি স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশি পাহারায় মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ইসলামী রীতি অনুযায়ী তাঁকে দাফন করা হয়।বিল্লাল হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই মফিজুল ইসলাম বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী রীতি অনুযায়ী শুভর মরদেহ দাফন করা হয়েছে।নিহতের মা আয়েশা বেগম বলেন, ‘আমি সন্তান ছাড়া এতিম হয়েছি। দেড় বছরের আমার নাতিরে যারা এতিম করছে, আমি তাদের বিচার চাই। আমার ছেলেরে যে গুলি করে মারছে, তার ফাঁসি চাই।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী রীতি অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে ধর্মান্তরিত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালের মরদেহ। রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জ নগরীর মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে পুলিশি পাহারায় জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।
গত ৫ সেপ্টেম্বর মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে নারায়ণগঞ্জ শহরে গুলিতে নিহত হন শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লাল। তাঁর মৃত্যুর পর মরদেহের শেষকৃত্য নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।
নিহতের সনাতন ধর্মাবলম্বী বাবা হিন্দু রীতি অনুযায়ী ছেলের সৎকারের দাবি জানান। অন্যদিকে স্ত্রী, মা, ভাই ও বোন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন জানিয়ে বিল্লালের মরদেহ ইসলামী রীতি অনুযায়ী দাফনের দাবি করেন।
এ নিয়ে বিল্লালের স্ত্রী জ্যোতি হাইকোর্টে রিট করেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মুহাম্মদ ইকবাল কবির ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের বেঞ্চে ওই রিটের শুনানি হয়। পরে রোববার হাইকোর্ট বিল্লালের মরদেহ তাঁর স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তর এবং ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী দাফনের আদেশ দেন।
পরিবারের দাবি, ২০০৩ সালের ২৬ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে করা এফিডেভিটে শুভ, তাঁর মা পার্বতী রাণী দাস ও ভাই সজীব চন্দ্র দাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
পরে শুভর নাম রাখা হয় মো. বিল্লাল। তিনি মাদ্রাসায়ও পড়াশোনা করেন। পরে রূপগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের মেয়ে জ্যোতিকে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে করেন বিল্লাল। তাঁদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
আইনি জটিলতার কারণে এত দিন বিল্লালের মরদেহ পুলিশের তত্ত্বাবধানে হিমঘরে রাখা হয়েছিল।
হাইকোর্টের আদেশের পর মরদেহটি স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশি পাহারায় মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ইসলামী রীতি অনুযায়ী তাঁকে দাফন করা হয়।
বিল্লাল হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই মফিজুল ইসলাম বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী রীতি অনুযায়ী শুভর মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
নিহতের মা আয়েশা বেগম বলেন, ‘আমি সন্তান ছাড়া এতিম হয়েছি। দেড় বছরের আমার নাতিরে যারা এতিম করছে, আমি তাদের বিচার চাই। আমার ছেলেরে যে গুলি করে মারছে, তার ফাঁসি চাই।’