ইরানে আাবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
প্রতিবেশী দেশগুলোকে কঠোর সতর্কবার্তা দিল ইরান.
ইরানের দক্ষিণ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। তাদের দাবি, এই হামলা যুদ্ধ অবসান-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক-এর গুরুতর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান।বুধবার (৮ জুলাই) ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ৪ নম্বর দফা লঙ্ঘন করে ইরানের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত কয়েকটি পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।ইরান জানিয়েছে, এসব হামলা যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের প্রথম দফারও স্পষ্ট লঙ্ঘন, যেখানে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সব রাষ্ট্রের, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর দায়িত্ব হলো—তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে যেন কোনো আগ্রাসী পক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে না পারে।ইরান সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের হামলায় কোনো দেশের সহযোগিতা আগ্রাসনের অপরাধে অংশগ্রহণ ও সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে।একই সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও মহাসচিবকে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না এবং হামলার উৎস ও দায়ী পক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরানের দক্ষিণ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। তাদের দাবি, এই হামলা যুদ্ধ অবসান-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক-এর গুরুতর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান।
বুধবার (৮ জুলাই) ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ৪ নম্বর দফা লঙ্ঘন করে ইরানের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত কয়েকটি পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, এসব হামলা যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের প্রথম দফারও স্পষ্ট লঙ্ঘন, যেখানে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সব রাষ্ট্রের, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর দায়িত্ব হলো—তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে যেন কোনো আগ্রাসী পক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে না পারে।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের হামলায় কোনো দেশের সহযোগিতা আগ্রাসনের অপরাধে অংশগ্রহণ ও সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে।
একই সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও মহাসচিবকে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না এবং হামলার উৎস ও দায়ী পক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করবে।