সৈয়দপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস.
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুরে উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ‘আঞ্জুমানে গাউসিয়া আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ ধর্মীয় শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে জিকির, সালাত ও সালাম পেশ করে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মুসল্লিরা ঐতিহাসিক সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে সমবেত হতে থাকেন। সকাল ১০টার দিকে বিপুল মানুষের উপস্থিতিতে মাঠটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।আয়োজকদের দাবি, প্রায় ৩০ হাজার আশেকে রাসুলের অংশগ্রহণে রেলওয়ে মাঠ থেকে জশনে জুলুসের মূল শোভাযাত্রা শুরু হয়। নাত-এ-রাসুল ও ‘নারায়ে তাকবির’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর। শোভাযাত্রায় সবুজ পতাকা, কলেমা খচিত ব্যানার ও বিভিন্ন তোরণ দেখা যায়।প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ প্রদক্ষিণ করে জুলুসটি পুনরায় সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে এসে শেষ হয়। ঐতিহাসিক এ জশনে জুলুসের সার্বিক নেতৃত্ব দেন সৈয়দ শাহ আহমেদ জামাল আশরাফ আশরাফী আল জিলানী।জুলুস শেষে রেলওয়ে মাঠে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পুণ্যময় জীবন, আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুরে উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ‘আঞ্জুমানে গাউসিয়া আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ ধর্মীয় শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।
সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে জিকির, সালাত ও সালাম পেশ করে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মুসল্লিরা ঐতিহাসিক সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে সমবেত হতে থাকেন। সকাল ১০টার দিকে বিপুল মানুষের উপস্থিতিতে মাঠটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
আয়োজকদের দাবি, প্রায় ৩০ হাজার আশেকে রাসুলের অংশগ্রহণে রেলওয়ে মাঠ থেকে জশনে জুলুসের মূল শোভাযাত্রা শুরু হয়। নাত-এ-রাসুল ও ‘নারায়ে তাকবির’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর। শোভাযাত্রায় সবুজ পতাকা, কলেমা খচিত ব্যানার ও বিভিন্ন তোরণ দেখা যায়।
প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ প্রদক্ষিণ করে জুলুসটি পুনরায় সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে এসে শেষ হয়। ঐতিহাসিক এ জশনে জুলুসের সার্বিক নেতৃত্ব দেন সৈয়দ শাহ আহমেদ জামাল আশরাফ আশরাফী আল জিলানী।
জুলুস শেষে রেলওয়ে মাঠে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পুণ্যময় জীবন, আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।