ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যের মিষ্টি স্বাদ, তালের বড়ার চাহিদা এখন দেশ-বিদেশে
মো. নিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যের মিষ্টি স্বাদ, তালের বড়ার চাহিদা এখন দেশ-বিদেশে.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন তালের বড়ার কদর দিন দিন বাড়ছে। ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে পাকা তাল থেকে তৈরি মৌসুমি এই মিষ্টান্ন এখন জেলার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশেও রয়েছে এর চাহিদা।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে তালের বড়া। সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এর চাহিদা রয়েছে। গাজীপুর, নরসিংদী, ঘোড়াশালসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারদের মাধ্যমে তাল সংগ্রহ করে এর রস দিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু এই মিষ্টান্ন।জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে প্রতিদিন দেড় থেকে চার-পাঁচ মণ পর্যন্ত তালের বড়া তৈরি হচ্ছে। তবে মৌসুমি এই মিষ্টান্ন সাধারণত বছরে দুই থেকে তিন মাস পাওয়া যায়। বর্তমানে প্রতি কেজি তালের বড়া ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমি এই মিষ্টান্নের চাহিদা থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম উপায়ে সারা বছর তালের বড়া তৈরি করছেন। এতে এর স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। তাই প্রকৃত স্বাদ ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৌসুমি তালের বড়া তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরেই প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকার তালের বড়া কেনাবেচা হয়। স্থানীয় মিষ্টি ব্যবসায়ী সতিশ মোদক ও স্বপন মোদক এ তথ্য জানান।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখীর মতো ঐতিহ্যবাহী তালের বড়াও একদিন ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পাবে। এতে এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নের পরিচিতি আরও বাড়বে এবং দেশ-বিদেশে এর বাজার সম্প্রসারিত হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন তালের বড়ার কদর দিন দিন বাড়ছে। ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে পাকা তাল থেকে তৈরি মৌসুমি এই মিষ্টান্ন এখন জেলার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশেও রয়েছে এর চাহিদা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে তালের বড়া। সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এর চাহিদা রয়েছে। গাজীপুর, নরসিংদী, ঘোড়াশালসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারদের মাধ্যমে তাল সংগ্রহ করে এর রস দিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু এই মিষ্টান্ন।
জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে প্রতিদিন দেড় থেকে চার-পাঁচ মণ পর্যন্ত তালের বড়া তৈরি হচ্ছে। তবে মৌসুমি এই মিষ্টান্ন সাধারণত বছরে দুই থেকে তিন মাস পাওয়া যায়। বর্তমানে প্রতি কেজি তালের বড়া ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমি এই মিষ্টান্নের চাহিদা থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম উপায়ে সারা বছর তালের বড়া তৈরি করছেন। এতে এর স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। তাই প্রকৃত স্বাদ ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৌসুমি তালের বড়া তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরেই প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকার তালের বড়া কেনাবেচা হয়। স্থানীয় মিষ্টি ব্যবসায়ী সতিশ মোদক ও স্বপন মোদক এ তথ্য জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখীর মতো ঐতিহ্যবাহী তালের বড়াও একদিন ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পাবে। এতে এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নের পরিচিতি আরও বাড়বে এবং দেশ-বিদেশে এর বাজার সম্প্রসারিত হবে।