শাহবাজপুরে মাদ্রাসা-মসজিদের জায়গা অধিগ্রহণের প্রতিবাদে মানববন্ধন.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও মসজিদের জায়গা দ্বিতীয় দফায় অধিগ্রহণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) মহাসড়কের পাশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পীরেতরিকত শায়খুল হাদিস আবদুল কুদ্দুস। এ সময় বক্তব্য দেন বিএনপির সরাইল উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি মোহাম্মদ রিপন মিয়া, শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রাজীব আহমেদ রাজ্জি, মাদ্রাসার নায়েবে মোতাওয়াল্লি কামরুল হাসান লিটন, সদস্য শাহ আলম মিয়া, মুফতি সালমান কাসেমী ও মুফতি শাহ আবদুল কুদ্দুসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।বক্তারা বলেন, ঐতিহ্যবাহী এ মাদ্রাসা ও মসজিদের জায়গা অধিগ্রহণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা মাদ্রাসা ও মসজিদের জায়গা অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য, ধর্মীয় ও শিক্ষাগত গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে জায়গাটি অধিগ্রহণের আওতার বাইরে রাখার আহ্বান জানান।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও মসজিদের জায়গা দ্বিতীয় দফায় অধিগ্রহণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) মহাসড়কের পাশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পীরেতরিকত শায়খুল হাদিস আবদুল কুদ্দুস। এ সময় বক্তব্য দেন বিএনপির সরাইল উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি মোহাম্মদ রিপন মিয়া, শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রাজীব আহমেদ রাজ্জি, মাদ্রাসার নায়েবে মোতাওয়াল্লি কামরুল হাসান লিটন, সদস্য শাহ আলম মিয়া, মুফতি সালমান কাসেমী ও মুফতি শাহ আবদুল কুদ্দুসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, ঐতিহ্যবাহী এ মাদ্রাসা ও মসজিদের জায়গা অধিগ্রহণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা মাদ্রাসা ও মসজিদের জায়গা অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য, ধর্মীয় ও শিক্ষাগত গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে জায়গাটি অধিগ্রহণের আওতার বাইরে রাখার আহ্বান জানান।