সাংবাদিক দেবাশীষ ও তার ছেলের সৎকার সম্পন্ন, দাফন হলো স্ত্রী-শ্বশুরের
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
ছবি কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সাংবাদিক দেবাশীষ ও তার ছেলের সৎকার সম্পন্ন, দাফন হলো স্ত্রী-শ্বশুরের.
কলকাতার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ড-. কলকাতার নিউমার্কেটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত এবং একমাত্র ছেলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়াও তার স্ত্রী এবং শশুরের জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২২আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ কুষ্টিয়ার বাড়িতে পৌঁছায়। তাদের মরদেহ এলাকায় পৌছালে স্বজন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী ও ছেলের মরদেহ কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় নেওয়া হয় এবং তাঁর শ্বশুরের মরদেহ নেওয়া হয় থানাপাড়ায়। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্তের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে রাতেই দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা শারমীন ও শ্বশুর আকরাম হোসেনের দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ স্বজন ও সহকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এসময় দেবাশীষ দত্তসহ পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ গ্রহণ করেন তার সহকর্মীরা। প্রসঙ্গত, কলকাতার নিউমার্কেটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ ৯ জন মারা যায়। তাদের মধ্যে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী, শ্বশুর ও তিন বছর বয়সী ছেলে রয়েছে।মৃত দেবাশীষ দত্ত আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। ওই ঘটনায় তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শর্ণশীষ দত্ত (৩) ও শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) মৃত্যুবরণ করেন। নিহত সাংবাদিকের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী, ছেলে ও শ্বশুরকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতের বেঙ্গালুরু যান। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১৮আগস্ট তারা কলকাতায় ফেরেন এবং একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। ওই রাতেই হোটেলটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দেবাশীষ দত্তসহ তার পরিবারের চারজন নিহত হন। তাদের ১৯ আগস্ট বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। নিহতদের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকায়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
কলকাতার নিউমার্কেটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত এবং একমাত্র ছেলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়াও তার স্ত্রী এবং শশুরের জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (২২আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ কুষ্টিয়ার বাড়িতে পৌঁছায়। তাদের মরদেহ এলাকায় পৌছালে স্বজন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী ও ছেলের মরদেহ কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় নেওয়া হয় এবং তাঁর শ্বশুরের মরদেহ নেওয়া হয় থানাপাড়ায়। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্তের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে রাতেই দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা শারমীন ও শ্বশুর আকরাম হোসেনের দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ স্বজন ও সহকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এসময় দেবাশীষ দত্তসহ পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ গ্রহণ করেন তার সহকর্মীরা।
প্রসঙ্গত, কলকাতার নিউমার্কেটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ ৯ জন মারা যায়। তাদের মধ্যে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী, শ্বশুর ও তিন বছর বয়সী ছেলে রয়েছে।
মৃত দেবাশীষ দত্ত আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। ওই ঘটনায় তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শর্ণশীষ দত্ত (৩) ও শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) মৃত্যুবরণ করেন।
নিহত সাংবাদিকের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী, ছেলে ও শ্বশুরকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতের বেঙ্গালুরু যান। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১৮আগস্ট তারা কলকাতায় ফেরেন এবং একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। ওই রাতেই হোটেলটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দেবাশীষ দত্তসহ তার পরিবারের চারজন নিহত হন। তাদের ১৯ আগস্ট বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। নিহতদের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকায়।