পুলিশ লাইন্সে উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে উত্তেজনা, মাদ্রাসাছাত্র-পুলিশসহ আহত ৩০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
ছবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
পুলিশ লাইন্সে উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে উত্তেজনা, মাদ্রাসাছাত্র-পুলিশসহ আহত ৩০.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে উত্তেজনা, হামলা ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে মাদ্রাসাছাত্র ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।পুলিশ, মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিআইজি অনুষ্ঠান উপভোগ করে চলে যাওয়ার পরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল।এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানোয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দের মাত্রা কমাতে বলেন। এ নিয়ে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে শতাধিক মাদ্রাসাছাত্র পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে মাদ্রাসাছাত্ররাও পাল্টা ঢিল ছোড়েন বলে জানা গেছে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্র ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের মাদ্রাসায় পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রথমে শব্দ কমানো হলেও পরে আবারও উচ্চস্বরে গান বাজানো শুরু হয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করে।শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।এ বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে উত্তেজনা, হামলা ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে মাদ্রাসাছাত্র ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিআইজি অনুষ্ঠান উপভোগ করে চলে যাওয়ার পরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল।
এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানোয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দের মাত্রা কমাতে বলেন। এ নিয়ে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে শতাধিক মাদ্রাসাছাত্র পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে মাদ্রাসাছাত্ররাও পাল্টা ঢিল ছোড়েন বলে জানা গেছে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্র ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।
দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের মাদ্রাসায় পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রথমে শব্দ কমানো হলেও পরে আবারও উচ্চস্বরে গান বাজানো শুরু হয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করে।
শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।