মা হারালেন সাংবাদিক মিলন উল্লাহ.
ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ও খবরের কাগজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মিলন উল্লাহর মা রিজিয়া বেগম (৭৫) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে মিরপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের টিঅ্যান্ডটি পাড়ায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
রিজিয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ডায়াবেটিস, লিভারের জটিলতা ও বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর অপর ছেলে আশরাফ হোসেন (আব্দুর রাজ্জাক) মিরপুর পৌরসভার কর আদায়কারী হিসেবে কর্মরত। মরহুমা রিজিয়া বেগম মিরপুর থানার সাবেক পুলিশ সদস্য প্রয়াত কুতুব উদ্দিনের সহধর্মিণী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বাদ আসর মিরপুর পৌরসভার ওয়াপদা ঈদগাহ ময়দানে রিজিয়া বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ওয়াপদা কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
সাংবাদিক মিলন উল্লাহর মায়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক নেতারা গভীর শোক জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ও খবরের কাগজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মিলন উল্লাহর মা রিজিয়া বেগম (৭৫) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে মিরপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের টিঅ্যান্ডটি পাড়ায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
রিজিয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ডায়াবেটিস, লিভারের জটিলতা ও বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর অপর ছেলে আশরাফ হোসেন (আব্দুর রাজ্জাক) মিরপুর পৌরসভার কর আদায়কারী হিসেবে কর্মরত। মরহুমা রিজিয়া বেগম মিরপুর থানার সাবেক পুলিশ সদস্য প্রয়াত কুতুব উদ্দিনের সহধর্মিণী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বাদ আসর মিরপুর পৌরসভার ওয়াপদা ঈদগাহ ময়দানে রিজিয়া বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ওয়াপদা কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
সাংবাদিক মিলন উল্লাহর মায়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক নেতারা গভীর শোক জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।