খড়মপুর মাজারে দানবাক্স খুলে মিলল কোটি টাকা.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের ওরস উপলক্ষে স্থাপন করা চারটি দানবাক্স খুলে পাওয়া গেছে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা। নগদ অর্থের পাশাপাশি দানবাক্সগুলোতে সোনা-রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে।সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত দানবাক্সগুলো খুলে টাকা গণনার কাজ চলে। ১২ বস্তা টাকা গণনায় অংশ নেন ৪০ জন।মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা ওরস চলাকালে চারটি দানবাক্সে নগদ অর্থের পাশাপাশি সোনা, রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা দান করেন। এসব সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করে হিসাব করা হচ্ছে।এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে।খড়মপুর মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট থেকে আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারে সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৬ আগস্ট রোববার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা চারটি দানবাক্সে নগদ অর্থ, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন।মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, চারটি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রার হিসাবও করা হচ্ছে। সবকিছুর হিসাব-নিকাশ শেষ হলে মাজারের সার্বিক আয়-ব্যয়ের বিষয়টি জানানো হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের ওরস উপলক্ষে স্থাপন করা চারটি দানবাক্স খুলে পাওয়া গেছে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা। নগদ অর্থের পাশাপাশি দানবাক্সগুলোতে সোনা-রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে।
সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত দানবাক্সগুলো খুলে টাকা গণনার কাজ চলে। ১২ বস্তা টাকা গণনায় অংশ নেন ৪০ জন।
মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা ওরস চলাকালে চারটি দানবাক্সে নগদ অর্থের পাশাপাশি সোনা, রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা দান করেন। এসব সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করে হিসাব করা হচ্ছে।
এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
খড়মপুর মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট থেকে আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারে সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৬ আগস্ট রোববার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা চারটি দানবাক্সে নগদ অর্থ, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন।
মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, চারটি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রার হিসাবও করা হচ্ছে। সবকিছুর হিসাব-নিকাশ শেষ হলে মাজারের সার্বিক আয়-ব্যয়ের বিষয়টি জানানো হবে।