‘খদরে’ খাসির মাংস না থাকায় বিয়ে না করেই ফিরলেন জাপানপ্রবাসী বর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
ছবি ঢাকা প্রোব
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
‘খদরে’ খাসির মাংস না থাকায় বিয়ে না করেই ফিরলেন জাপানপ্রবাসী বর.
বিয়ের খাবার ‘খদরে’ খাসির মাংস না থাকায় বিয়ে না করেই কনের বাড়ি থেকে ফিরে গেছেন জাপানপ্রবাসী এক বর। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার শেষ মুহূর্তে খাবারে খাসির মাংস না থাকায় আপত্তি জানান তিনি। কনেপক্ষের আত্মীয়স্বজন ও উপস্থিত লোকজন অনেক বুঝিয়েও তাঁকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে রাজি করাতে পারেননি।সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর জুনায়েদ কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে সোমবার বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে যান জুনায়েদ। সেখানে ফুল দিয়ে তাঁকে বরণ করা হয়। তবে বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন। পরে গেট ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বরকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।একপর্যায়ে আত্মীয়স্বজনের খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বরপক্ষের জন্য স্থানীয়ভাবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী ‘খদরে’ খাবার পরিবেশন করা হয়। খাবারে খাসির মাংস না থাকায় আপত্তি জানান জুনায়েদ। তিনি খাসির মাংস ছাড়া খাবেন না এবং খাসির মাংসের ব্যবস্থা না করা হলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না বলে জানিয়ে দেন।এ সময় কনেপক্ষের আত্মীয়স্বজনসহ উপস্থিত অনেকে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এমনকি খাসির মাংসের ব্যবস্থা করার বিষয়েও তাঁকে আশ্বস্ত করা হয় বলে জানা গেছে। কিন্তু কোনোভাবেই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না করেই একা কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান জাপানপ্রবাসী জুনায়েদ।কনের বাবা শফিক মিয়া বলেন, ‘খাসির মাংসের বিষয়টি আগে জানানো হলে অবশ্যই এর ব্যবস্থা করা হতো। কিন্তু আমাকে আগে এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। পরে আত্মীয়স্বজনসহ সবাই মিলে ছেলেটিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি কোনোভাবেই রাজি হননি।’স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিক মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। কোনো বাবা-মাই চান না মেয়ের বিয়েতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হোক। খাসির মাংসের বিষয়টি সামনে আসার পর তাঁকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি খাসির মাংস ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হননি।’ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বিয়ের খাবার ‘খদরে’ খাসির মাংস না থাকায় বিয়ে না করেই কনের বাড়ি থেকে ফিরে গেছেন জাপানপ্রবাসী এক বর। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার শেষ মুহূর্তে খাবারে খাসির মাংস না থাকায় আপত্তি জানান তিনি। কনেপক্ষের আত্মীয়স্বজন ও উপস্থিত লোকজন অনেক বুঝিয়েও তাঁকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে রাজি করাতে পারেননি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর জুনায়েদ কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে সোমবার বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে যান জুনায়েদ। সেখানে ফুল দিয়ে তাঁকে বরণ করা হয়। তবে বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন। পরে গেট ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বরকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
একপর্যায়ে আত্মীয়স্বজনের খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বরপক্ষের জন্য স্থানীয়ভাবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী ‘খদরে’ খাবার পরিবেশন করা হয়। খাবারে খাসির মাংস না থাকায় আপত্তি জানান জুনায়েদ। তিনি খাসির মাংস ছাড়া খাবেন না এবং খাসির মাংসের ব্যবস্থা না করা হলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না বলে জানিয়ে দেন।
এ সময় কনেপক্ষের আত্মীয়স্বজনসহ উপস্থিত অনেকে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এমনকি খাসির মাংসের ব্যবস্থা করার বিষয়েও তাঁকে আশ্বস্ত করা হয় বলে জানা গেছে। কিন্তু কোনোভাবেই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না করেই একা কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান জাপানপ্রবাসী জুনায়েদ।
কনের বাবা শফিক মিয়া বলেন, ‘খাসির মাংসের বিষয়টি আগে জানানো হলে অবশ্যই এর ব্যবস্থা করা হতো। কিন্তু আমাকে আগে এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। পরে আত্মীয়স্বজনসহ সবাই মিলে ছেলেটিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি কোনোভাবেই রাজি হননি।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিক মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। কোনো বাবা-মাই চান না মেয়ের বিয়েতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হোক। খাসির মাংসের বিষয়টি সামনে আসার পর তাঁকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি খাসির মাংস ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হননি।’
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।