ডেপুটেশন বাতিলের নথি নেই, তবু বদলি; শিক্ষক সংকটে নীলফামারীর কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
নীলফামারী প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫২ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ডেপুটেশন বাতিলের নথি নেই, তবু বদলি; শিক্ষক সংকটে নীলফামারীর কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়.
নীলফামারী সদর উপজেলায় এক সহকারী শিক্ষকের ডেপুটেশন বা সংযুক্তি বাতিলের পৃথক কোনো আদেশ সংশ্লিষ্ট নথিতে না থাকলেও তাঁকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বদলির পর তাঁর স্থলে কোনো শিক্ষক পদায়ন না করায় শিক্ষক সংকটে পড়েছে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গত ২০ আগস্ট জারি করা বদলি আদেশের ৩ নম্বর ক্রমিকে সহকারী শিক্ষক জুই রানীকে তাঁর মূল কর্মস্থল দাঁড়িহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তরণীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। ওই আদেশে সদর উপজেলার ১৬ জন সহকারী শিক্ষককে বদলি করা হয়।
সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, জুই রানী দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্তিতে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তবে প্রাপ্ত নথিতে তাঁর সংযুক্তি বাতিলের কোনো পৃথক অফিস আদেশ পাওয়া যায়নি।
কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা ও ৩০ আগস্টের দৈনিক উপস্থিতি বিবরণী অনুযায়ী, ২০ আগস্ট বদলি আদেশ জারির পরও জুই রানী ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ওই বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২৪ আগস্ট তরণীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন।
তরণীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে সালমা বলেন, জুই রানী ২৪ আগস্ট তাঁদের বিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন এবং বর্তমানে সেখানে কর্মরত আছেন।
এদিকে জুই রানীকে বদলি করা হলেও কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর স্থলে কোনো শিক্ষক দেওয়া হয়নি। পাঁচটি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বিদ্যালয়টিতে আগে থেকেই মাত্র তিনজন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। জুই রানী চলে যাওয়ার পর বর্তমানে ৮১ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়টিতে মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যদি এ রকম বদলি আদেশ হয়ে থাকে, তাহলে এই পদ্ধতি সঠিক নয়। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’
সংযুক্তি বাতিলের পৃথক আদেশ ছাড়া কীভাবে বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো এবং শিক্ষক সংকটে থাকা একটি বিদ্যালয় থেকে বিকল্প ব্যবস্থা না করেই একজন শিক্ষককে কেন সরিয়ে নেওয়া হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে বিষয়টি পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নীলফামারী সদর উপজেলায় এক সহকারী শিক্ষকের ডেপুটেশন বা সংযুক্তি বাতিলের পৃথক কোনো আদেশ সংশ্লিষ্ট নথিতে না থাকলেও তাঁকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বদলির পর তাঁর স্থলে কোনো শিক্ষক পদায়ন না করায় শিক্ষক সংকটে পড়েছে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গত ২০ আগস্ট জারি করা বদলি আদেশের ৩ নম্বর ক্রমিকে সহকারী শিক্ষক জুই রানীকে তাঁর মূল কর্মস্থল দাঁড়িহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তরণীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। ওই আদেশে সদর উপজেলার ১৬ জন সহকারী শিক্ষককে বদলি করা হয়।
সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, জুই রানী দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্তিতে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তবে প্রাপ্ত নথিতে তাঁর সংযুক্তি বাতিলের কোনো পৃথক অফিস আদেশ পাওয়া যায়নি।
কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা ও ৩০ আগস্টের দৈনিক উপস্থিতি বিবরণী অনুযায়ী, ২০ আগস্ট বদলি আদেশ জারির পরও জুই রানী ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ওই বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২৪ আগস্ট তরণীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন।
তরণীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে সালমা বলেন, জুই রানী ২৪ আগস্ট তাঁদের বিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন এবং বর্তমানে সেখানে কর্মরত আছেন।
এদিকে জুই রানীকে বদলি করা হলেও কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর স্থলে কোনো শিক্ষক দেওয়া হয়নি। পাঁচটি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বিদ্যালয়টিতে আগে থেকেই মাত্র তিনজন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। জুই রানী চলে যাওয়ার পর বর্তমানে ৮১ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়টিতে মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যদি এ রকম বদলি আদেশ হয়ে থাকে, তাহলে এই পদ্ধতি সঠিক নয়। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’
সংযুক্তি বাতিলের পৃথক আদেশ ছাড়া কীভাবে বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো এবং শিক্ষক সংকটে থাকা একটি বিদ্যালয় থেকে বিকল্প ব্যবস্থা না করেই একজন শিক্ষককে কেন সরিয়ে নেওয়া হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে বিষয়টি পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।