ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতদলের হামলায় নিহত ১.
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দেওদুনিয়া খাল থেকে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাছ ধরার সময় ডাকাতদলের হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন পরিবার।।শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলের দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহত আলী আহমেদ (৫৪) বিজয়নগর উপজেলার চরইসলামপুর ইউনিয়নের উত্তর রাজাবাড়ি গ্রামের ওলফত আলীর ছেলে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে আলী আহমেদ ও তার ছেলে স্থানীয় লইসকা বিলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় তিনটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে একদল ডাকাত ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। ডাকাতদের নৌকার দিকে টর্চলাইট জ্বালানোয় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে এগিয়ে আসে। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আলী ও তার ছেলেকে মারধর করে পানিতে ফেলে দিয়ে নৌকা নিয়ে চলে যায় ডাকাত দল। আলীর ছেলে সাঁতরে কচুরিপানার মধ্যে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বাঁচেন।ওসি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আরও তদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দেওদুনিয়া খাল থেকে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাছ ধরার সময় ডাকাতদলের হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন পরিবার।।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলের দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আলী আহমেদ (৫৪) বিজয়নগর উপজেলার চরইসলামপুর ইউনিয়নের উত্তর রাজাবাড়ি গ্রামের ওলফত আলীর ছেলে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে আলী আহমেদ ও তার ছেলে স্থানীয় লইসকা বিলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় তিনটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে একদল ডাকাত ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। ডাকাতদের নৌকার দিকে টর্চলাইট জ্বালানোয় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে এগিয়ে আসে। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আলী ও তার ছেলেকে মারধর করে পানিতে ফেলে দিয়ে নৌকা নিয়ে চলে যায় ডাকাত দল। আলীর ছেলে সাঁতরে কচুরিপানার মধ্যে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বাঁচেন।
ওসি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আরও তদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।