ভাঙা কালভার্টে দেড় বছর ধরে অচল কোটি টাকার সড়ক.
নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় একটি ভাঙা কালভার্টের কারণে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি দেড় বছর ধরে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। দীর্ঘদিনেও কালভার্টটি সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যানবাহন চলাচল না থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশে জন্মেছে ঘাস-লতাপাতা।উপজেলার চর উজিলাব ইউনিয়নের দেওয়ানেরচর গ্রামের এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাত করতে তাঁদের বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেওয়ানেরচর ঈদগাহ মাঠ সড়ক থেকে বারৈচা-বেলাব সড়ক পর্যন্ত ৮৮৫ মিটার সড়ক নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ২০২৪ সালের শেষ দিকে একটি প্রকল্পের আওতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।বেলাব উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ২ হাজার ৫৭৫ মিটার সড়ক নির্মাণের একটি প্যাকেজের আওতায় দেওয়ানেরচর গ্রামের ৮৮৫ মিটার সড়কটি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ টাকা।স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের মাত্র চার মাসের মধ্যে দেওয়ানেরচর ঈদগাহ মাঠের পাশে থাকা পুরোনো একটি কালভার্ট ভেঙে যায়। এরপর থেকে কালভার্টটি সংস্কার কিংবা নতুন করে নির্মাণের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। দেখতে দেখতে প্রায় দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কালভার্টটি চলাচলের উপযোগী হয়নি।কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় সড়কের একাংশে যান চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নেওয়া এবং ব্যবসায়ীদের মালামাল পরিবহনে বাড়তি ভোগান্তি ও খরচ হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নতুন সড়ক নির্মাণের পর সেটি দীর্ঘদিন যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে থাকা দুঃখজনক। দ্রুত কালভার্টটি নির্মাণ করা হলে সড়কটি সচল হওয়ার পাশাপাশি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগও কমবে।এলাকাবাসীর দাবি, জনসাধারণের চলাচলের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত ভাঙা কালভার্টটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণ করা হোক। একই সঙ্গে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি পুরোপুরি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হোক।এ বিষয়ে বেলাব উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী লোকমান হোসাইন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা অবগত আছি। কালভার্ট নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করি, খুব দ্রুত কালভার্টের কাজ করতে পারব।’তবে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কালভার্টটি কবে নাগাদ নির্মাণ হবে এবং প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি কবে পুরোপুরি সচল হবে—এখন সেটিই স্থানীয়দের প্রধান প্রশ্ন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় একটি ভাঙা কালভার্টের কারণে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি দেড় বছর ধরে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। দীর্ঘদিনেও কালভার্টটি সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যানবাহন চলাচল না থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশে জন্মেছে ঘাস-লতাপাতা।
উপজেলার চর উজিলাব ইউনিয়নের দেওয়ানেরচর গ্রামের এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাত করতে তাঁদের বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেওয়ানেরচর ঈদগাহ মাঠ সড়ক থেকে বারৈচা-বেলাব সড়ক পর্যন্ত ৮৮৫ মিটার সড়ক নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ২০২৪ সালের শেষ দিকে একটি প্রকল্পের আওতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।
বেলাব উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ২ হাজার ৫৭৫ মিটার সড়ক নির্মাণের একটি প্যাকেজের আওতায় দেওয়ানেরচর গ্রামের ৮৮৫ মিটার সড়কটি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের মাত্র চার মাসের মধ্যে দেওয়ানেরচর ঈদগাহ মাঠের পাশে থাকা পুরোনো একটি কালভার্ট ভেঙে যায়। এরপর থেকে কালভার্টটি সংস্কার কিংবা নতুন করে নির্মাণের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। দেখতে দেখতে প্রায় দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কালভার্টটি চলাচলের উপযোগী হয়নি।
কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় সড়কের একাংশে যান চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নেওয়া এবং ব্যবসায়ীদের মালামাল পরিবহনে বাড়তি ভোগান্তি ও খরচ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নতুন সড়ক নির্মাণের পর সেটি দীর্ঘদিন যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে থাকা দুঃখজনক। দ্রুত কালভার্টটি নির্মাণ করা হলে সড়কটি সচল হওয়ার পাশাপাশি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগও কমবে।
এলাকাবাসীর দাবি, জনসাধারণের চলাচলের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত ভাঙা কালভার্টটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণ করা হোক। একই সঙ্গে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি পুরোপুরি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে বেলাব উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী লোকমান হোসাইন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা অবগত আছি। কালভার্ট নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করি, খুব দ্রুত কালভার্টের কাজ করতে পারব।’
তবে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কালভার্টটি কবে নাগাদ নির্মাণ হবে এবং প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি কবে পুরোপুরি সচল হবে—এখন সেটিই স্থানীয়দের প্রধান প্রশ্ন।