বেরোবিতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, তথ্য দিলেই ১০ হাজার টাকা পুরস্কার
বেরোবি প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৯ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বেরোবিতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, তথ্য দিলেই ১০ হাজার টাকা পুরস্কার.
ক্যাম্পাসে বহিরাগত ও মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) প্রশাসন। মাদক কারবারি ও মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করলে শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।রোববার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। গত দুই বছরে মাদকের সঙ্গে জড়িত প্রায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজনকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ধরনের ছাড় দেবে না।তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যদি মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি কিংবা মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করে, তাহলে তাকে ১০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাত হলেই স্বাধীনতা স্মারক, ভিসি মাঠ, গ্যারেজ রোড, কেন্দ্রীয় মাঠ, ইইই অ্যানেক্স বিল্ডিংসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক সেবনের দৃশ্য দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব স্থান থেকে মাদকসেবী ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে।প্রশাসনের এমন উদ্যোগে ক্যাম্পাসে মাদকসেবন ও মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ক্যাম্পাসে বহিরাগত ও মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) প্রশাসন। মাদক কারবারি ও মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করলে শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।
রোববার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। গত দুই বছরে মাদকের সঙ্গে জড়িত প্রায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজনকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ধরনের ছাড় দেবে না।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যদি মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি কিংবা মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করে, তাহলে তাকে ১০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাত হলেই স্বাধীনতা স্মারক, ভিসি মাঠ, গ্যারেজ রোড, কেন্দ্রীয় মাঠ, ইইই অ্যানেক্স বিল্ডিংসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক সেবনের দৃশ্য দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব স্থান থেকে মাদকসেবী ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে।
প্রশাসনের এমন উদ্যোগে ক্যাম্পাসে মাদকসেবন ও মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।