যৌন সহিংসতা বন্ধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: বেরোবি উপাচার্য
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ AM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
যৌন সহিংসতা বন্ধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: বেরোবি উপাচার্য.
পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ‘পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়।উপাচার্য বলেন, পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ করা শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়। এটি প্রত্যেকের নৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তার পক্ষে সোচ্চার থাকা প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।দেশে ইভ টিজিং ও অনলাইন সাইবার হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, শুধু আইন বা প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা দিয়ে সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যেখানে কোনো নারী, শিক্ষার্থী বা কর্মী ভয়ের মধ্যে থাকবেন না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তাজুল ইসলাম। কমিটির সদস্যসচিব ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াছ প্রামানিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।সভায় বক্তব্য দেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট তশিবা কাশেম এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উপদেষ্টা মুবারক মোহাম্মদ।এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। এ জন্য কর্মশালা আয়োজন ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তাঁরা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ‘পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়।
উপাচার্য বলেন, পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ করা শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়। এটি প্রত্যেকের নৈতিক অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তার পক্ষে সোচ্চার থাকা প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।
দেশে ইভ টিজিং ও অনলাইন সাইবার হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, শুধু আইন বা প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা দিয়ে সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যেখানে কোনো নারী, শিক্ষার্থী বা কর্মী ভয়ের মধ্যে থাকবেন না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তাজুল ইসলাম। কমিটির সদস্যসচিব ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াছ প্রামানিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
সভায় বক্তব্য দেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট তশিবা কাশেম এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উপদেষ্টা মুবারক মোহাম্মদ।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। এ জন্য কর্মশালা আয়োজন ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তাঁরা।