এমনটা হয়তো কল্পনাও করেনি বাংলাদেশ। ডারউইন টেস্ট জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে নেমেছিল তারা। কিন্তু ম্যাকাইয়ে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপাকে পড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
দলীয় ১২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। এরপর আরও একটি উইকেট পড়েছে। ২১ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে এখন সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় তারা।
টেস্টে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ ৪৩ রান। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওই রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। তবে টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড এখনো বাংলাদেশের নয়। ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৬ রানে অলআউট হয়েছিল নিউজিল্যান্ড।
ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর মিচেল স্টার্ক। বাংলাদেশের প্রথম ৫ উইকেটই নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি এই পেসার। ২২ বলেই পেয়েছেন ৫ উইকেট।
এটি বলের হিসাবে দ্রুততম ফাইফারের তালিকায় পঞ্চম। আর দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ডটিও স্টার্কের। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে ক্যারিবিয়ানরা অলআউট হয়েছিল ২৭ রানে।
ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশের বিপদ শুরু হয় ইনিংসের প্রথম বলেই। স্টার্কের ফুল লেন্থের বলে ব্যাট চালিয়ে গালিতে ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দেন সাদমান ইসলাম।
পরের ওভারে আরও দুই উইকেট নেন স্টার্ক। প্রথম দুই বলে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তকে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরিয়ে দেন তিনি। এতে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জেগেছিল। শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।
বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটারই ফিরেছেন শূন্য রানে। পঞ্চম ওভারে মমিনুল হককেও ফেরান স্টার্ক। ৯ রান করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
সপ্তম ওভারে লিটন দাসকে এলবিডব্লিউ করে নিজের পঞ্চম উইকেটটি নেন স্টার্ক। লিটন কোনো রানই করতে পারেননি।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ৪২ বল খেলেন। কিন্তু প্যাট কামিন্সের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ৫ রানে।
তাতে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২১ রানে ৬ উইকেট।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ২৭। মেহেদী হাসান মিরাজ ৯ রানে ব্যাট করছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন হাসান মাহমুদ। এই পেসারের রান ২।