প্রেমের টানে ইসলাম গ্রহণ, কসবার তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা নাগরিক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
প্রেমের টানে ইসলাম গ্রহণ, কসবার তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা নাগরিক.
প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন এক চীনা নাগরিক। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাইসার গ্রামের আবদুল আলিমের মেয়ে কলেজছাত্রী আয়েশা সুলতানার (২১) সঙ্গে চীনের হেনান প্রদেশের দেংঝৌ শহরের বাসিন্দা সং হানজাওয়ের (৪০) পরিচয় হয় একটি চীনা ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে। প্রায় দুই মাস অনলাইনে যোগাযোগের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।পরিবারের সদস্যরা জানান, সং হানজাও বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর গত ১৪ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলামী রীতিতে আয়েশা সুলতানাকে বিয়ে করেন। সম্প্রতি বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়।এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রতারণা, মানবপাচার ও শোষণের অভিযোগ বাড়ায় ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সতর্কতাও দেখা দিয়েছে। তবে তরুণীর পরিবার বলছে, প্রয়োজনীয় আইনি ও ধর্মীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।আয়েশা সুলতানা বলেন, শুরু থেকেই আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি দুই পরিবার জানত। পারিবারিক সম্মতিতেই আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সম্পর্কে কোনো ধরনের প্রতারণা বা জোরজবরদস্তি হয়নি।আয়েশার বাবা আবদুল আলিম বলেন, সং হানজাও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং মুসলিম রীতিনীতি মেনে চলার অঙ্গীকার করেছেন। মেয়ের সুখের কথা বিবেচনা করেই আমরা তাকে জামাই হিসেবে গ্রহণ করেছি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন এক চীনা নাগরিক। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাইসার গ্রামের আবদুল আলিমের মেয়ে কলেজছাত্রী আয়েশা সুলতানার (২১) সঙ্গে চীনের হেনান প্রদেশের দেংঝৌ শহরের বাসিন্দা সং হানজাওয়ের (৪০) পরিচয় হয় একটি চীনা ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে। প্রায় দুই মাস অনলাইনে যোগাযোগের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সং হানজাও বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর গত ১৪ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলামী রীতিতে আয়েশা সুলতানাকে বিয়ে করেন। সম্প্রতি বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রতারণা, মানবপাচার ও শোষণের অভিযোগ বাড়ায় ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সতর্কতাও দেখা দিয়েছে। তবে তরুণীর পরিবার বলছে, প্রয়োজনীয় আইনি ও ধর্মীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
আয়েশা সুলতানা বলেন, শুরু থেকেই আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি দুই পরিবার জানত। পারিবারিক সম্মতিতেই আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সম্পর্কে কোনো ধরনের প্রতারণা বা জোরজবরদস্তি হয়নি।
আয়েশার বাবা আবদুল আলিম বলেন, সং হানজাও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং মুসলিম রীতিনীতি মেনে চলার অঙ্গীকার করেছেন। মেয়ের সুখের কথা বিবেচনা করেই আমরা তাকে জামাই হিসেবে গ্রহণ করেছি।