হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে খাস জমিতে ভবন নির্মাণের অপরাধে কারাদণ্ড
পটুয়াখালীর প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
ছবি প্রতিনিধি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে খাস জমিতে ভবন নির্মাণের অপরাধে কারাদণ্ড.
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলাধীন চর গঙ্গামতি এলাকায় সরকারি খাস জমিতে হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে পাকা দোকানঘর নির্মাণের অপরাধে মো: নুরুজ্জামান (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চর গঙ্গামতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় এ দন্ড দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক।প্রশাসন সূত্র জানায়, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ১১ ধারায় এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে মামলার সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ডের দন্ডিত করা হয়, অনাদায়ে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।এদিকে, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের গেজেট এবং হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং ৫১৬২/২০১১-এর রায় অনুযায়ী, গঙ্গামতি-কাউয়ার চরের বেড়িবাঁধের বাইরের জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।স্থানীয়দের মতে, গঙ্গামতি-কাউয়ার চরের সরকারি জমি রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, সরকারি জমি দখল, আদালতের নির্দেশ অমান্য এবং অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলাধীন চর গঙ্গামতি এলাকায় সরকারি খাস জমিতে হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে পাকা দোকানঘর নির্মাণের অপরাধে মো: নুরুজ্জামান (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চর গঙ্গামতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় এ দন্ড দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক।
প্রশাসন সূত্র জানায়, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ১১ ধারায় এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে মামলার সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ডের দন্ডিত করা হয়, অনাদায়ে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এদিকে, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের গেজেট এবং হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং ৫১৬২/২০১১-এর রায় অনুযায়ী, গঙ্গামতি-কাউয়ার চরের বেড়িবাঁধের বাইরের জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, গঙ্গামতি-কাউয়ার চরের সরকারি জমি রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, সরকারি জমি দখল, আদালতের নির্দেশ অমান্য এবং অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।