রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন: সিইসি.
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সুন্দর ও সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। এ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।সিইসি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের যত রকমের প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা আমরা সম্পন্ন করেছি। আমাদের প্রস্তুতির মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই। এই নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা পাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, সুন্দর একটি নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব।’রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে। দেশবাসী, পুরো জাতি ও বিশ্ববাসী জানে, একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এটি তাঁর জন্যও ভাগ্যের বিষয়।তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। এরপর আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়নি। ফলে এ ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও নিয়মিত অভিজ্ঞতা নেই। তবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ও মহড়া নেওয়া হয়েছে, যাতে পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে।সিইসি জানান, ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করা হবে। জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য আলাদা বৈঠক আহ্বান করা সম্ভব। নির্বাচনী কর্মকর্তা এ বৈঠক আহ্বান করবেন এবং সংসদ সদস্যরা সেখানে ভোট দেবেন।ভোটগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়ে সিইসি বলেন, শুরুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা ভোট দেওয়ার সময় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বিকেল ৫টায় ভোট গণনা শুরুর সময়ও সরাসরি সম্প্রচার থাকবে।তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার, তাই ভোট দেওয়ার পর তাঁরা চলে যেতে বাধ্য নন। ভোট গণনার সময়ও তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, কত ভোট বাতিল বা নষ্ট হয়েছে—সব তথ্য বিস্তারিতভাবে ঘোষণা করা হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পর গেজেট প্রকাশ করা হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সুন্দর ও সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। এ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সিইসি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের যত রকমের প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা আমরা সম্পন্ন করেছি। আমাদের প্রস্তুতির মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই। এই নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা পাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, সুন্দর একটি নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে। দেশবাসী, পুরো জাতি ও বিশ্ববাসী জানে, একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এটি তাঁর জন্যও ভাগ্যের বিষয়।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। এরপর আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়নি। ফলে এ ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও নিয়মিত অভিজ্ঞতা নেই। তবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ও মহড়া নেওয়া হয়েছে, যাতে পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে।
সিইসি জানান, ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করা হবে। জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য আলাদা বৈঠক আহ্বান করা সম্ভব। নির্বাচনী কর্মকর্তা এ বৈঠক আহ্বান করবেন এবং সংসদ সদস্যরা সেখানে ভোট দেবেন।
ভোটগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়ে সিইসি বলেন, শুরুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা ভোট দেওয়ার সময় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বিকেল ৫টায় ভোট গণনা শুরুর সময়ও সরাসরি সম্প্রচার থাকবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার, তাই ভোট দেওয়ার পর তাঁরা চলে যেতে বাধ্য নন। ভোট গণনার সময়ও তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, কত ভোট বাতিল বা নষ্ট হয়েছে—সব তথ্য বিস্তারিতভাবে ঘোষণা করা হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পর গেজেট প্রকাশ করা হবে।