প্রাথমিকের চতুর্থ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংগৃহীত ছবি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
প্রাথমিকের চতুর্থ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’.
শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় ও শিশুবান্ধব শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ নামে দুটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত করা হবে।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে সরকার ইতোমধ্যে স্কুল ড্রেস ও মিডডে মিল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলাকে মিডডে মিল কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।নতুন শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি ২০২৮ সাল থেকে প্রথম শ্রেণির কারিকুলামেও ‘খেলাধুলা’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশীয় খেলার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের মধ্যে শেখার আগ্রহ তৈরি করতে হলে তাদের আনন্দময় শিক্ষা দিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় খেলার মাঠের সংখ্যা বাড়ানো এবং তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে সরকার বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে।জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় ও শিশুবান্ধব শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ নামে দুটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে সরকার ইতোমধ্যে স্কুল ড্রেস ও মিডডে মিল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলাকে মিডডে মিল কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
নতুন শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি ২০২৮ সাল থেকে প্রথম শ্রেণির কারিকুলামেও ‘খেলাধুলা’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশীয় খেলার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের মধ্যে শেখার আগ্রহ তৈরি করতে হলে তাদের আনন্দময় শিক্ষা দিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় খেলার মাঠের সংখ্যা বাড়ানো এবং তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে সরকার বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত।