বেরোবি থেকে আইআইটি কানপুরে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি পেলেন বাইজিদ
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বেরোবি থেকে আইআইটি কানপুরে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি পেলেন বাইজিদ.
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন বাইজিদ আহমেদ। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনেই গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। সেই আগ্রহ তাঁকে শিক্ষকতা ও গবেষণার পথে এগিয়ে নেয়। এবার ভারতের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) কানপুরে পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন তিনি।মার্কেটিং বিষয়ে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ পেয়েছেন বেরোবির সাবেক এই শিক্ষার্থী। চলতি বছরের জুলাইয়ে আইআইটি কানপুরের পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছেন তিনি।বাইজিদ আহমেদ বেরোবির মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। পিএইচডিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ওই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। তাঁর বাড়ি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে।আইআইটি কানপুর ভারতের শীর্ষ প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। বিশ্বমানের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রতিষ্ঠানটির পরিচিতি রয়েছে। সেখানে পিএইচডির সুযোগকে নিজের গবেষণাযাত্রার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন বাইজিদ।স্কলারশিপের আওতায় টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের পাশাপাশি মাসিক উপবৃত্তি পাবেন তিনি। গবেষণা সম্মেলনে অংশ নিতে ভ্রমণ ভাতাও থাকবে। এর বাইরে স্বাস্থ্যসেবা এবং একাডেমিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহায়তা পাবেন।নিজের অর্জন নিয়ে বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটিতে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে পড়ার সুযোগ পেয়ে তিনি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে ভালো মানের গবেষণা করার দায়িত্বও অনুভব করছেন তিনি।বাইজিদ বলেন, আইআইটির মতো প্রতিষ্ঠানে পিএইচডি করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গবেষণার দক্ষতা বাড়াতে চান। সঠিক সময়ে পিএইচডি শেষ করে আবার দেশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার ইচ্ছা তাঁর।বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ছিল বাইজিদের। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সেই স্বপ্নের ভিত্তি তৈরি হয়। সেখান থেকেই গবেষণার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহসও পান তিনি।পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন বাইজিদ। তবে গবেষণা থেকে দূরে সরে যাননি। চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরুর পর নিজের আগ্রহের বিষয় নিয়ে নিয়মিত গবেষণা করতে থাকেন।বাইজিদের মতে, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজের লক্ষ্য থাকলে নিয়মিত পড়াশোনা, গবেষণার দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন জ্ঞান অর্জনের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।নিজের অর্জনকে শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে দেখতে চান না বাইজিদ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা যেন গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখেন, সেটিই তাঁর প্রত্যাশা।বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটির মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। সঠিক প্রস্তুতি, ধৈর্য ও লক্ষ্যে অবিচল থাকলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন বাইজিদ আহমেদ। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনেই গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। সেই আগ্রহ তাঁকে শিক্ষকতা ও গবেষণার পথে এগিয়ে নেয়। এবার ভারতের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) কানপুরে পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
মার্কেটিং বিষয়ে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ পেয়েছেন বেরোবির সাবেক এই শিক্ষার্থী। চলতি বছরের জুলাইয়ে আইআইটি কানপুরের পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছেন তিনি।
বাইজিদ আহমেদ বেরোবির মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। পিএইচডিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ওই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। তাঁর বাড়ি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে।
আইআইটি কানপুর ভারতের শীর্ষ প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। বিশ্বমানের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রতিষ্ঠানটির পরিচিতি রয়েছে। সেখানে পিএইচডির সুযোগকে নিজের গবেষণাযাত্রার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন বাইজিদ।
স্কলারশিপের আওতায় টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের পাশাপাশি মাসিক উপবৃত্তি পাবেন তিনি। গবেষণা সম্মেলনে অংশ নিতে ভ্রমণ ভাতাও থাকবে। এর বাইরে স্বাস্থ্যসেবা এবং একাডেমিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
নিজের অর্জন নিয়ে বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটিতে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে পড়ার সুযোগ পেয়ে তিনি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে ভালো মানের গবেষণা করার দায়িত্বও অনুভব করছেন তিনি।
বাইজিদ বলেন, আইআইটির মতো প্রতিষ্ঠানে পিএইচডি করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গবেষণার দক্ষতা বাড়াতে চান। সঠিক সময়ে পিএইচডি শেষ করে আবার দেশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার ইচ্ছা তাঁর।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ছিল বাইজিদের। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সেই স্বপ্নের ভিত্তি তৈরি হয়। সেখান থেকেই গবেষণার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহসও পান তিনি।
পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন বাইজিদ। তবে গবেষণা থেকে দূরে সরে যাননি। চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরুর পর নিজের আগ্রহের বিষয় নিয়ে নিয়মিত গবেষণা করতে থাকেন।
বাইজিদের মতে, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজের লক্ষ্য থাকলে নিয়মিত পড়াশোনা, গবেষণার দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন জ্ঞান অর্জনের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
নিজের অর্জনকে শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে দেখতে চান না বাইজিদ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা যেন গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখেন, সেটিই তাঁর প্রত্যাশা।
বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটির মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। সঠিক প্রস্তুতি, ধৈর্য ও লক্ষ্যে অবিচল থাকলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেন।