ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস পূর্বাঞ্চলে উপশহর স্থাপনের তৎপরতা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস পূর্বাঞ্চলে বসতভিটা, ফসলি জমি, হাওর-বিল ও জলাশয় ভরাট করে উপশহর স্থাপনের তৎপরতা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কৃষক-কৃষাণীরা। একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছেন তাঁরা।বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, হুসেন আহমদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য দেন।বক্তারা বলেন, তিতাস পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় রয়েছে ফসলি জমি, হাওর-বিল, জলাশয় ও বসতভিটা। এসব জায়গা ভরাট করে অপরিকল্পিতভাবে উপশহর স্থাপন করা হলে কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতাসহ নানা ধরনের পরিবেশগত সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।তাঁরা আরও বলেন, উন্নয়নের নামে কৃষিজমি, জলাশয় ও প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করা যাবে না। তিতাস পূর্বাঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উপশহর স্থাপনের তৎপরতা বন্ধ করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস পূর্বাঞ্চলে বসতভিটা, ফসলি জমি, হাওর-বিল ও জলাশয় ভরাট করে উপশহর স্থাপনের তৎপরতা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কৃষক-কৃষাণীরা। একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছেন তাঁরা।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, হুসেন আহমদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, তিতাস পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় রয়েছে ফসলি জমি, হাওর-বিল, জলাশয় ও বসতভিটা। এসব জায়গা ভরাট করে অপরিকল্পিতভাবে উপশহর স্থাপন করা হলে কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতাসহ নানা ধরনের পরিবেশগত সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাঁরা আরও বলেন, উন্নয়নের নামে কৃষিজমি, জলাশয় ও প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করা যাবে না। তিতাস পূর্বাঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উপশহর স্থাপনের তৎপরতা বন্ধ করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা।