জুমার নামাজের ইতিহাস, কখন থেকে শুরু হয় এই রীতি.
ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন শুক্রবার বা 'ইয়াওমুল জুমআ'। বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের জন্য জুমার দিনটি সাপ্তাহিক উৎসবের দিন হিসেবে বিবেচিত। তবে এর সূচনা ও ইতিহাস বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। জুমার নামাজের বিধিমালার প্রাথমিক আমল মক্কায় হিজরতের আগেই পাওয়া যায়, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে কুবা থেকে মদিনায় যাওয়ার সময় ‘বনি সালেম’ গোত্রের উপত্যকায় পৌঁছালে জোহরের সময় হয়ে যায়। সেখানেই মহানবী (সা.) প্রথম জুমার নামাজে ইমামতি করেন এবং খুতবা প্রদান করেন। এটিই ইসলামের ইতিহাসের প্রথম আনুষ্ঠানিক জুমার নামাজ। এর আগে নবুয়তের ১২তম বর্ষে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশে সাহাবি মুসাব ইবনে উমাইর (রা.)-এর নেতৃত্বে মদিনায় প্রথম জামাতে জুমার নামাজ আদায় করা হয়েছিল। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-জুমুআতেও জুমার আযান হলে সমস্ত কাজ ও কেনাবেচা বন্ধ করে সালাতের উদ্দেশ্যে ধাবিত হওয়ার স্পষ্ট নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বে জুমার গুরুত্ব ও ধারাবাহিকতা অপরিবর্তিত রয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন শুক্রবার বা 'ইয়াওমুল জুমআ'। বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের জন্য জুমার দিনটি সাপ্তাহিক উৎসবের দিন হিসেবে বিবেচিত। তবে এর সূচনা ও ইতিহাস বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
জুমার নামাজের বিধিমালার প্রাথমিক আমল মক্কায় হিজরতের আগেই পাওয়া যায়, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে কুবা থেকে মদিনায় যাওয়ার সময় ‘বনি সালেম’ গোত্রের উপত্যকায় পৌঁছালে জোহরের সময় হয়ে যায়। সেখানেই মহানবী (সা.) প্রথম জুমার নামাজে ইমামতি করেন এবং খুতবা প্রদান করেন। এটিই ইসলামের ইতিহাসের প্রথম আনুষ্ঠানিক জুমার নামাজ।
এর আগে নবুয়তের ১২তম বর্ষে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশে সাহাবি মুসাব ইবনে উমাইর (রা.)-এর নেতৃত্বে মদিনায় প্রথম জামাতে জুমার নামাজ আদায় করা হয়েছিল। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-জুমুআতেও জুমার আযান হলে সমস্ত কাজ ও কেনাবেচা বন্ধ করে সালাতের উদ্দেশ্যে ধাবিত হওয়ার স্পষ্ট নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বে জুমার গুরুত্ব ও ধারাবাহিকতা অপরিবর্তিত রয়েছে।