অপচয়কারীদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা.
মহান আল্লাহ আমাদের অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। এসব নিয়ামতের মধ্যে খাদ্য অন্যতম। খাদ্য মানুষের জীবনধারণের ভিত্তি, শরীরের পুষ্টির উপায় এবং শক্তি ও সামর্থ্যের উৎস। তাই আল্লাহর দেওয়া এই মূল্যবান নিয়ামতের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া এবং অপচয় থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অতএব, মানুষ যেন তার খাদ্যের দিকে লক্ষ্য করে। আমিই প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করেছি। তারপর ভূমিকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করেছি। অতঃপর তাতে উৎপন্ন করেছি শস্য, আঙুর, তাজা ঘাস, জলপাই, খেজুর, ঘন উদ্যান, ফলমূল ও ঘাস—তোমাদের ও তোমাদের গবাদি পশুর উপকারের জন্য।’(সুরা : আবাসা, আয়াত : ২৪-৩২)খাদ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামত সম্পর্কে আমাদের জিজ্ঞাসা করা হবে। তাই যিনি আমাদের এসব নিয়ামত দান করেছেন, সেই আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের কর্তব্য। একই সঙ্গে খাদ্যের সংরক্ষণ এবং অপচয় রোধ করাও জরুরি।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা খাও ও পান করো, কিন্তু অপচয় কোরো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’(সুরা : আল-আরাফ, আয়াত : ৩১)ইসলাম খাদ্যের সামান্য অংশও অবহেলা করতে নিষেধ করেছে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) পথে একটি খেজুর পড়ে থাকতে দেখে বলেন, ‘যদি আমার আশঙ্কা না হতো যে এটি সদকার খেজুর, তাহলে আমি এটি খেয়ে নিতাম।’(বুখারি ও মুসলিম)রাসুলুল্লাহ (সা.) খাবারের প্রতি বিশেষ যত্নশীল ছিলেন। তিনি খাবার গ্রহণের পর আঙুল চেটে নিতেন এবং পাত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমরা জানো না, তোমাদের কোন খাবারের মধ্যে বরকত রয়েছে।’(তিরমিজি, হাদিস : ১৮০৩)অপচয় ও অপব্যয় মানুষের চরিত্র নষ্ট করে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানদের ভাই। আর শয়তান তার রবের প্রতি অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ।’(সুরা : আল-ইসরা, আয়াত : ২৬-২৭)অন্যদিকে আল্লাহর নিয়ামতের সম্মান করা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যদি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তাহলে অবশ্যই আমি তোমাদের আরো বাড়িয়ে দেব।’(সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৭)অতএব, একজন মুসলিমের উচিত আল্লাহর দেওয়া খাদ্য ও সম্পদের মূল্য বোঝা, প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা, অবশিষ্ট খাবার সংরক্ষণ করা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া। কোনোভাবেই খাদ্য অপচয়, অপব্যয় ও লোকদেখানো থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতই আমানত, আর এই আমানতের যথাযথ হেফাজত করা আমাদের দায়িত্ব।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মহান আল্লাহ আমাদের অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। এসব নিয়ামতের মধ্যে খাদ্য অন্যতম। খাদ্য মানুষের জীবনধারণের ভিত্তি, শরীরের পুষ্টির উপায় এবং শক্তি ও সামর্থ্যের উৎস। তাই আল্লাহর দেওয়া এই মূল্যবান নিয়ামতের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া এবং অপচয় থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অতএব, মানুষ যেন তার খাদ্যের দিকে লক্ষ্য করে। আমিই প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করেছি। তারপর ভূমিকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করেছি। অতঃপর তাতে উৎপন্ন করেছি শস্য, আঙুর, তাজা ঘাস, জলপাই, খেজুর, ঘন উদ্যান, ফলমূল ও ঘাস—তোমাদের ও তোমাদের গবাদি পশুর উপকারের জন্য।’
(সুরা : আবাসা, আয়াত : ২৪-৩২)
খাদ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামত সম্পর্কে আমাদের জিজ্ঞাসা করা হবে। তাই যিনি আমাদের এসব নিয়ামত দান করেছেন, সেই আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের কর্তব্য। একই সঙ্গে খাদ্যের সংরক্ষণ এবং অপচয় রোধ করাও জরুরি।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা খাও ও পান করো, কিন্তু অপচয় কোরো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’
(সুরা : আল-আরাফ, আয়াত : ৩১)
ইসলাম খাদ্যের সামান্য অংশও অবহেলা করতে নিষেধ করেছে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) পথে একটি খেজুর পড়ে থাকতে দেখে বলেন, ‘যদি আমার আশঙ্কা না হতো যে এটি সদকার খেজুর, তাহলে আমি এটি খেয়ে নিতাম।’
(বুখারি ও মুসলিম)
রাসুলুল্লাহ (সা.) খাবারের প্রতি বিশেষ যত্নশীল ছিলেন। তিনি খাবার গ্রহণের পর আঙুল চেটে নিতেন এবং পাত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমরা জানো না, তোমাদের কোন খাবারের মধ্যে বরকত রয়েছে।’
(তিরমিজি, হাদিস : ১৮০৩)
অপচয় ও অপব্যয় মানুষের চরিত্র নষ্ট করে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানদের ভাই। আর শয়তান তার রবের প্রতি অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ।’
(সুরা : আল-ইসরা, আয়াত : ২৬-২৭)
অন্যদিকে আল্লাহর নিয়ামতের সম্মান করা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যদি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তাহলে অবশ্যই আমি তোমাদের আরো বাড়িয়ে দেব।’
(সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৭)
অতএব, একজন মুসলিমের উচিত আল্লাহর দেওয়া খাদ্য ও সম্পদের মূল্য বোঝা, প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা, অবশিষ্ট খাবার সংরক্ষণ করা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া। কোনোভাবেই খাদ্য অপচয়, অপব্যয় ও লোকদেখানো থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতই আমানত, আর এই আমানতের যথাযথ হেফাজত করা আমাদের দায়িত্ব।