তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫০ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন.
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় তিন দিনের সফরের অংশ হিসেবে নীলফামারীর ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি তিস্তা নদীর বর্তমান পরিস্থিতি, নাব্য সংকট, পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন।রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে দেশের বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় যান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডিয়ান ডাও, মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন মেগান বোল্ডিনসহ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল।এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান ক্রিস্টেনসেন। পরে সেখান থেকে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়িতে প্যারাগন গ্রুপ পরিচালিত ‘প্যারাগন ডেইরি’ পরিদর্শন করেন তিনি। এরপর তিস্তা ব্যারেজের উদ্দেশে রওনা হন।তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রদূতকে নদীর পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম, নদী সংস্কার এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকটের কারণে কৃষকদের ওপর পড়া প্রভাব সম্পর্কে অবহিত করেন।পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর উত্তরাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহা. সরফরাজ বান্দা জানান, রাষ্ট্রদূত তিস্তা অববাহিকায় বসবাসকারী মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।পরে তিস্তা ব্যারেজ এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্টহাউজ ‘অবসর’-এ স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন তিনি। ব্যারেজের চারপাশের সবুজ পরিবেশ দেখে রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী মুগ্ধ হন। তারা সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন এবং কিছু সময় অবস্থান করেন।সফর শেষে বেলা ৩টার দিকে সড়কপথে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার উদ্দেশে রওনা হন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে রাতযাপন করেন তিনি।সফরের দ্বিতীয় দিনে সোমবার তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদী, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের চতুর্দেশীয় আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল, পঞ্চগড় রকস মিউজিয়াম ও গ্রিন ফিল্ড টি ইন্ডাস্ট্রিজ পরিদর্শনের কথা রয়েছে।সফরের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর হরিণমারী সীমান্তের মন্ডুমালা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ, দিনাজপুরের কান্তজির মন্দির ও নয়াবাদ মসজিদ এবং পার্বতীপুরের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন করবেন তিনি।এরপর রেলপথে সৈয়দপুরে গিয়ে রেলওয়ে কারখানা ও জাদুঘর, চিনি মসজিদ এবং সৈয়দপুর খ্রিস্টান চার্চ পরিদর্শন শেষে রাতে ঢাকায় ফিরবেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।নীলফামারীর পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খান জানান, রাষ্ট্রদূতের সফরকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সফর নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় তিন দিনের সফরের অংশ হিসেবে নীলফামারীর ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি তিস্তা নদীর বর্তমান পরিস্থিতি, নাব্য সংকট, পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে দেশের বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় যান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডিয়ান ডাও, মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন মেগান বোল্ডিনসহ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল।
এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান ক্রিস্টেনসেন। পরে সেখান থেকে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়িতে প্যারাগন গ্রুপ পরিচালিত ‘প্যারাগন ডেইরি’ পরিদর্শন করেন তিনি। এরপর তিস্তা ব্যারেজের উদ্দেশে রওনা হন।
তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রদূতকে নদীর পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম, নদী সংস্কার এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকটের কারণে কৃষকদের ওপর পড়া প্রভাব সম্পর্কে অবহিত করেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর উত্তরাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহা. সরফরাজ বান্দা জানান, রাষ্ট্রদূত তিস্তা অববাহিকায় বসবাসকারী মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পরে তিস্তা ব্যারেজ এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্টহাউজ ‘অবসর’-এ স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন তিনি। ব্যারেজের চারপাশের সবুজ পরিবেশ দেখে রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী মুগ্ধ হন। তারা সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন এবং কিছু সময় অবস্থান করেন।
সফর শেষে বেলা ৩টার দিকে সড়কপথে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার উদ্দেশে রওনা হন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে রাতযাপন করেন তিনি।
সফরের দ্বিতীয় দিনে সোমবার তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদী, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের চতুর্দেশীয় আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল, পঞ্চগড় রকস মিউজিয়াম ও গ্রিন ফিল্ড টি ইন্ডাস্ট্রিজ পরিদর্শনের কথা রয়েছে।
সফরের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর হরিণমারী সীমান্তের মন্ডুমালা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ, দিনাজপুরের কান্তজির মন্দির ও নয়াবাদ মসজিদ এবং পার্বতীপুরের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন করবেন তিনি।
এরপর রেলপথে সৈয়দপুরে গিয়ে রেলওয়ে কারখানা ও জাদুঘর, চিনি মসজিদ এবং সৈয়দপুর খ্রিস্টান চার্চ পরিদর্শন শেষে রাতে ঢাকায় ফিরবেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
নীলফামারীর পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খান জানান, রাষ্ট্রদূতের সফরকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সফর নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।