সংসদে হট্টগোল, আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার
ঢাকা প্রোব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সংসদে হট্টগোল, আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার.
বর্তমান জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।’বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোল ও বাগবিতণ্ডার পর স্পিকার এসব কথা বলেন। আজ বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার।সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।’‘আপনাদের বলব, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলেন, তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না’, যোগ করেন স্পিকার।জাতীয় সংসদে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন স্পিকার। তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ভালো সংসদ উপহার দেওয়ার জন্য সব সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।’ এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা।’এর পরেই সংসদে হট্টগোল শুরু হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বর্তমান জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোল ও বাগবিতণ্ডার পর স্পিকার এসব কথা বলেন। আজ বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার।
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।’
‘আপনাদের বলব, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলেন, তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না’, যোগ করেন স্পিকার।
জাতীয় সংসদে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন স্পিকার। তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ভালো সংসদ উপহার দেওয়ার জন্য সব সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।
কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।’ এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা।’
এর পরেই সংসদে হট্টগোল শুরু হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে।