মক্কা চুক্তি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়, অন্যদের উদ্বেগের কিছু নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৮ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
মক্কা চুক্তি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়, অন্যদের উদ্বেগের কিছু নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী.
‘মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা। এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটা নিয়ে অন্যদের উদ্বেগের কোনো কিছু নেই। মক্কা চুক্তিতে যোগদানের প্রস্তাব পেলে বাংলাদেশ তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে’, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।সম্পূরক প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে গত ৭ আগস্ট মক্কা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এতে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সুবিধাটা কী হবে?’জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্যাক্ট তিন দেশের মধ্যে হয়েছে। আমরা এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদানের বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটি নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করেন, তবে আমরা নিশ্চয়ই এটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’খলিলুর রহমান বলেন, ‘তার আগে এর ভালো-মন্দ নিয়ে আলোচনা করার সময় সম্ভবত এখনো আসেনি। আমরা নিশ্চয়ই এ সমস্ত বিষয় বিবেচনা করব। তবে আমাদের একটি কথা মনে রাখতে হবে, এ প্যাক্ট যদি বিস্তৃত হয়, তবে এটি বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং, তা নিয়ে অন্যদের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
‘মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা। এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটা নিয়ে অন্যদের উদ্বেগের কোনো কিছু নেই। মক্কা চুক্তিতে যোগদানের প্রস্তাব পেলে বাংলাদেশ তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে’, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।
সম্পূরক প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে গত ৭ আগস্ট মক্কা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এতে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সুবিধাটা কী হবে?’
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্যাক্ট তিন দেশের মধ্যে হয়েছে। আমরা এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদানের বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটি নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করেন, তবে আমরা নিশ্চয়ই এটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’
খলিলুর রহমান বলেন, ‘তার আগে এর ভালো-মন্দ নিয়ে আলোচনা করার সময় সম্ভবত এখনো আসেনি। আমরা নিশ্চয়ই এ সমস্ত বিষয় বিবেচনা করব। তবে আমাদের একটি কথা মনে রাখতে হবে, এ প্যাক্ট যদি বিস্তৃত হয়, তবে এটি বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং, তা নিয়ে অন্যদের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।’