ফ্যাসিস্ট হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
ছবি: সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ফ্যাসিস্ট হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর.
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো সম্ভব হবে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের একটি বিমান দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। সেদিন সন্ধ্যায় ওই বিমানঘাঁটিতে শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে স্বাগত জানান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দেশের পার্লামেন্টে জানান, ভারত সরকারের কাছে শেখ হাসিনা ‘সাময়িকভাবে’ এ দেশে আসার অনুমোদন চেয়েছিলেন এবং তা মঞ্জুর হওয়ার পরই তিনি ভারতের মাটিতে পা রেখেছেন। সেই থেকে শেখ হাসিনা এখন পর্যন্ত ভারতেই রয়েছেন।শেখ হাসিনা ঠিক কোন ‘ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে’ ভারতে রয়েছেন, সে ব্যাপারেও এখন পর্যন্ত ভারত সরকার সম্পূর্ণ নীরব রয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো সম্ভব হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের একটি বিমান দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। সেদিন সন্ধ্যায় ওই বিমানঘাঁটিতে শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে স্বাগত জানান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।
পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দেশের পার্লামেন্টে জানান, ভারত সরকারের কাছে শেখ হাসিনা ‘সাময়িকভাবে’ এ দেশে আসার অনুমোদন চেয়েছিলেন এবং তা মঞ্জুর হওয়ার পরই তিনি ভারতের মাটিতে পা রেখেছেন। সেই থেকে শেখ হাসিনা এখন পর্যন্ত ভারতেই রয়েছেন।
শেখ হাসিনা ঠিক কোন ‘ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে’ ভারতে রয়েছেন, সে ব্যাপারেও এখন পর্যন্ত ভারত সরকার সম্পূর্ণ নীরব রয়েছে।