ড. ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংগৃহীত ছবি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ড. ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ.
শেখ মুজিবের বাড়ি ভাঙচুর. রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের নামে করা মামলার আবেদনটি খারিজ করেছেন আদালত।বৃহস্পতিবার ( ২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন।এর আগে দুপুরে মামলার বাদী তামান্না চৌধুরী প্রিয়াঙ্কার জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বেলা আড়াইটার দিকে আদালত মামলা খারিজের আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবু শাহীন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।মামলার আবেদনে ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়।আবেদনে যাদের আসামি করা হয়, তারা হলেন—সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, শিক্ষার্থী সমন্বয়ক আক্তার হোসেন, সংসদ সদস্য মো. হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অব. কর্নেল নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, বুলডোজার জোগানদাতা মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী এবং আবুল কালাম আজাদ।মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোনো উসকানি ছাড়াই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ১ থেকে ৯ নম্বর আসামির উসকানি, দায়িত্বহীনতা ও মূল নির্দেশনায় বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবান দলিলপত্র, সংগৃহীত স্মৃতিচিহ্নসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ করা হয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের নামে করা মামলার আবেদনটি খারিজ করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ( ২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে দুপুরে মামলার বাদী তামান্না চৌধুরী প্রিয়াঙ্কার জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বেলা আড়াইটার দিকে আদালত মামলা খারিজের আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবু শাহীন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার আবেদনে ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়।
আবেদনে যাদের আসামি করা হয়, তারা হলেন—সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, শিক্ষার্থী সমন্বয়ক আক্তার হোসেন, সংসদ সদস্য মো. হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অব. কর্নেল নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, বুলডোজার জোগানদাতা মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী এবং আবুল কালাম আজাদ।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোনো উসকানি ছাড়াই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ১ থেকে ৯ নম্বর আসামির উসকানি, দায়িত্বহীনতা ও মূল নির্দেশনায় বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবান দলিলপত্র, সংগৃহীত স্মৃতিচিহ্নসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ করা হয়।