ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের.
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদালতের আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।রিট আবেদনে বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা পরিবারের হাতে একটি ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার থাকার সুযোগ নেই। তবে ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত শেয়ার ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ।এর আগে গত বছর ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।একই আদেশে এসব শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকদের আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদালতের আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা পরিবারের হাতে একটি ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার থাকার সুযোগ নেই। তবে ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত শেয়ার ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ।
এর আগে গত বছর ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
একই আদেশে এসব শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকদের আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।