ঘুসের অভিযোগে শাস্তি, আট বছর পদোন্নতি পাবেন না মিতু
নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ঘুসের অভিযোগে শাস্তি, আট বছর পদোন্নতি পাবেন না মিতু.
৩৮ লাখ টাকা ঘুসের বিনিময়ে আয়কর নথির কাগজপত্র হস্তান্তরের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত সহকারী কর কমিশনার জান্নাতুল ফেরদৌস মিতুকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে। তবে আগামী আট বছরের জন্য তাঁর পদোন্নতি স্থগিত করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার এনবিআর এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গত ৩১ আগস্ট এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব প্রজ্ঞাপনটিতে সই করেছেন।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকার কর অঞ্চল-৫-এর সার্কেল-৯৩-এ সহকারী কর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মিতুর বিরুদ্ধে করদাতা সালাহ উদ্দিন আহমেদের কাছ থেকে ৩৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থের বিনিময়ে তিনি করদাতার আয়কর নথির অধিকাংশ রেকর্ড পরিবর্তন করেন। পাশাপাশি নতুন রেকর্ড সংযোজন করেন। পরে পুরোনো আয়কর রিটার্ন, অর্ডার শিট, কর নির্ধারণী আদেশ, আপিল-ট্রাইব্যুনালের আদেশসহ অন্যান্য নথি করদাতার মনোনীত প্রতিনিধি আইনজীবী ওবায়দুল হক সরকার ও তাঁর সহকারী সোহেলের কাছে হস্তান্তর করেন।এ ঘটনায় মিতুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ এবং বিধি ৩(ঘ) অনুযায়ী ‘দুর্নীতিপরায়ণতার’ অভিযোগ আনা হয়। তাঁকে কৈফিয়ত তলব করা হয়।পরে মিতু কৈফিয়তের জবাব দেন। তিনি ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেন। গত ১৬ মার্চ তাঁর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।বিভাগীয় মামলায় অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, মিতুর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তবে ‘দুর্নীতিপরায়ণতার’ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।তদন্ত প্রতিবেদন ও বিভাগীয় মামলার নথি পর্যালোচনা করে মিতুকে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় তাঁকে লঘুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ৪(২)(খ) বিধি অনুযায়ী আগামী আট বছরের জন্য তাঁর পদোন্নতি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে ৩৮ লাখ টাকা ঘুসের বিনিময়ে আয়কর নথির কাগজপত্র হস্তান্তরের অভিযোগে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) তাঁকে বরখাস্তের আদেশ দেয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
৩৮ লাখ টাকা ঘুসের বিনিময়ে আয়কর নথির কাগজপত্র হস্তান্তরের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত সহকারী কর কমিশনার জান্নাতুল ফেরদৌস মিতুকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে। তবে আগামী আট বছরের জন্য তাঁর পদোন্নতি স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এনবিআর এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গত ৩১ আগস্ট এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব প্রজ্ঞাপনটিতে সই করেছেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকার কর অঞ্চল-৫-এর সার্কেল-৯৩-এ সহকারী কর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মিতুর বিরুদ্ধে করদাতা সালাহ উদ্দিন আহমেদের কাছ থেকে ৩৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থের বিনিময়ে তিনি করদাতার আয়কর নথির অধিকাংশ রেকর্ড পরিবর্তন করেন। পাশাপাশি নতুন রেকর্ড সংযোজন করেন। পরে পুরোনো আয়কর রিটার্ন, অর্ডার শিট, কর নির্ধারণী আদেশ, আপিল-ট্রাইব্যুনালের আদেশসহ অন্যান্য নথি করদাতার মনোনীত প্রতিনিধি আইনজীবী ওবায়দুল হক সরকার ও তাঁর সহকারী সোহেলের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ ঘটনায় মিতুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ এবং বিধি ৩(ঘ) অনুযায়ী ‘দুর্নীতিপরায়ণতার’ অভিযোগ আনা হয়। তাঁকে কৈফিয়ত তলব করা হয়।
পরে মিতু কৈফিয়তের জবাব দেন। তিনি ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেন। গত ১৬ মার্চ তাঁর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
বিভাগীয় মামলায় অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, মিতুর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তবে ‘দুর্নীতিপরায়ণতার’ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।
তদন্ত প্রতিবেদন ও বিভাগীয় মামলার নথি পর্যালোচনা করে মিতুকে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় তাঁকে লঘুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ৪(২)(খ) বিধি অনুযায়ী আগামী আট বছরের জন্য তাঁর পদোন্নতি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে ৩৮ লাখ টাকা ঘুসের বিনিময়ে আয়কর নথির কাগজপত্র হস্তান্তরের অভিযোগে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) তাঁকে বরখাস্তের আদেশ দেয়।