তিন সেতুসহ নতুন মহাসড়ক, মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে ভোলা
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংগৃহীত ছবি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
তিন সেতুসহ নতুন মহাসড়ক, মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে ভোলা.
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এ রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক ও তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল-রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটটি মহাসড়ক নির্মাণের জন্য বেছে নেওয়া হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু সভার সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান।তিনি বলেন, ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে এ রুটে মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি কিছু অংশে নতুন সড়ক নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়া তিনটি ছোট সেতু নির্মাণের প্রয়োজন হবে। প্রকল্পের বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ কমার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।নদীবেষ্টিত জেলা হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন এ সড়ক সংযোগ চালু হলে নৌপথের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি ভোলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের অন্যতম সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর বিকল্প সড়কপথ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এ রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক ও তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল-রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটটি মহাসড়ক নির্মাণের জন্য বেছে নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে এ রুটে মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি কিছু অংশে নতুন সড়ক নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়া তিনটি ছোট সেতু নির্মাণের প্রয়োজন হবে। প্রকল্পের বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ কমার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নদীবেষ্টিত জেলা হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন এ সড়ক সংযোগ চালু হলে নৌপথের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি ভোলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের অন্যতম সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর বিকল্প সড়কপথ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।