সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
মির্জা ফকরুল ফাইল ছবি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব: মির্জা ফখরুল.
একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রান্তিক ও শ্রমজীবী মানুষ নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারবেন, তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং নারীরা আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।এক প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যা হবে সুখী, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী।’তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এ জন্য দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব।দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মানুষের অধিকার আদায়ের দীর্ঘ সংগ্রামে তাদের পাশে থাকার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত অর্থবহ। তিনি দলের নেতৃত্ব, গণমাধ্যমকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।নিজের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা আবেগভরে স্মরণ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় খালেদা জিয়ার কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু হওয়া তার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায় এবং জাতীয় রাজনীতিতে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথাও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রান্তিক ও শ্রমজীবী মানুষ নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারবেন, তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং নারীরা আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যা হবে সুখী, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এ জন্য দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব।
দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মানুষের অধিকার আদায়ের দীর্ঘ সংগ্রামে তাদের পাশে থাকার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত অর্থবহ। তিনি দলের নেতৃত্ব, গণমাধ্যমকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা আবেগভরে স্মরণ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় খালেদা জিয়ার কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।
ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু হওয়া তার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায় এবং জাতীয় রাজনীতিতে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথাও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি।