শহীদ জিয়া হত্যার আসামি মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
শহীদ জিয়া হত্যার আসামি মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী.
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত গ্রেপ্তারকৃত মেজর অব. মোজাফফর হোসেনের বিচার সামরিক আদালতেই হবে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবিকে আরও শক্তিশালী ও বিশ্বমানের বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রযুক্তি ও বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, সীমান্তে কোনো ধরনের পুশইন বরদাশত করা হবে না। সীমান্তে আধুনিক নজরদারি নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিতে যুক্ত হচ্ছে স্মার্ট প্রযুক্তি।তিনি আরও বলেন, বাহিনীর সামগ্রিক উন্নয়নে বাজেট খতিয়ে দেখেছে সরকার। দুর্যোগ মোকাবেলা ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, এ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে যুগপৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মিয়ানমার সীমান্তে ‘আরাকান আর্মি’সহ উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা থাকায় এরই মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবি সদস্যদের সুরক্ষায় দেওয়া হয়েছে ল্যান্ডমাইন ডিটেকশন যন্ত্রপাতি। প্রতিবেশী দেশে সরকার বদলের পর পুশইনের চেষ্টা করা হলেও, বিজিবির বীরত্বে তা নস্যাৎ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত গ্রেপ্তারকৃত মেজর অব. মোজাফফর হোসেনের বিচার সামরিক আদালতেই হবে।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবিকে আরও শক্তিশালী ও বিশ্বমানের বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রযুক্তি ও বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, সীমান্তে কোনো ধরনের পুশইন বরদাশত করা হবে না। সীমান্তে আধুনিক নজরদারি নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিতে যুক্ত হচ্ছে স্মার্ট প্রযুক্তি।
তিনি আরও বলেন, বাহিনীর সামগ্রিক উন্নয়নে বাজেট খতিয়ে দেখেছে সরকার। দুর্যোগ মোকাবেলা ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, এ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে যুগপৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মিয়ানমার সীমান্তে ‘আরাকান আর্মি’সহ উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা থাকায় এরই মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবি সদস্যদের সুরক্ষায় দেওয়া হয়েছে ল্যান্ডমাইন ডিটেকশন যন্ত্রপাতি। প্রতিবেশী দেশে সরকার বদলের পর পুশইনের চেষ্টা করা হলেও, বিজিবির বীরত্বে তা নস্যাৎ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।