মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশের ২৫ রিক্রুটিং এজেন্সি
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
ছবি: সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশের ২৫ রিক্রুটিং এজেন্সি.
বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। এর ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন করে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।শুক্রবার এফডব্লিউসিএমএস তাদের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশি ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম তালিকাভুক্ত করে প্রকাশ করে। তবে কবে থেকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে, কীভাবে কর্মী নিয়োগ করা হবে এবং তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো কোন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়েছে—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।তালিকাভুক্ত ২৫টি এজেন্সি হলো—বাংলাদেশ ওয়ান ওভারসিজ লিমিটেড, বেঙ্গল হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট, জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি, মেসার্স ইউনাইটেড গালফ সার্ভিসেস, অ্যানেসা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, আত-তাকওয়া ওভারসিজ লিমিটেড, আর্থ-স্মার্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, খান জাহান আলী ওভারসিজ, মেসার্স আল-শোতুপ ওভারসিজ, মাদারল্যান্ড ওভারসিজ লিমিটেড, রিফা ইন্টারন্যাশনাল, ভেলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, এ-প্লাস ইন্টারন্যাশনাল, আল-হায়াত ওভারসিজ, ভালুকা ওভারসিজ, ব্রাদার্স ট্রেডিং অ্যান্ড কন্ট্রাক্টিং লিমিটেড, চাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল, কান্ট্রি এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি, গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড, জুয়েল রিঙ্কু এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সাতক্ষীরা ইন্টারন্যাশনাল, ম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ার লিঙ্ক, নেবারস অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড, তানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এবং অ্যাঙ্কর কেয়ার গ্লোবাল মাইগ্রেশন।এর আগে বাংলাদেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে আসছিল জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর সংগঠন বায়রার একাংশের নেতারা। এর মধ্যেই ২৫টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করল এফডব্লিউসিএমএস।দীর্ঘদিন বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া সরকার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক কর্মী দেশটিতে যেতে পারেননি। কেউ কেউ টিকিট থাকার পরও ফ্লাইট ধরতে পারেননি, আবার অনেকে টিকিট না পেয়ে বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হন।এরপর কয়েক দফা উদ্যোগ নেওয়া হলেও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তৎকালীন প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেন। তবে সেই উদ্যোগও সফল হয়নি।সবশেষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যান তারেক রহমান। এরপর থেকেই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়।এফডব্লিউসিএমএসের প্রকাশিত ২৫ এজেন্সির তালিকা সেই সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে। তবে তালিকা প্রকাশের পরও কর্মী পাঠানোর সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া, সময়সূচি এবং নিয়োগের শর্ত সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ফলে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম কবে নাগাদ শুরু হবে, তা নিয়ে অপেক্ষা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। এর ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন করে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার এফডব্লিউসিএমএস তাদের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশি ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম তালিকাভুক্ত করে প্রকাশ করে। তবে কবে থেকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে, কীভাবে কর্মী নিয়োগ করা হবে এবং তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো কোন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়েছে—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
এর আগে বাংলাদেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে আসছিল জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর সংগঠন বায়রার একাংশের নেতারা। এর মধ্যেই ২৫টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করল এফডব্লিউসিএমএস।
দীর্ঘদিন বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া সরকার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক কর্মী দেশটিতে যেতে পারেননি। কেউ কেউ টিকিট থাকার পরও ফ্লাইট ধরতে পারেননি, আবার অনেকে টিকিট না পেয়ে বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
এরপর কয়েক দফা উদ্যোগ নেওয়া হলেও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তৎকালীন প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেন। তবে সেই উদ্যোগও সফল হয়নি।
সবশেষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যান তারেক রহমান। এরপর থেকেই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়।
এফডব্লিউসিএমএসের প্রকাশিত ২৫ এজেন্সির তালিকা সেই সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে। তবে তালিকা প্রকাশের পরও কর্মী পাঠানোর সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া, সময়সূচি এবং নিয়োগের শর্ত সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ফলে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম কবে নাগাদ শুরু হবে, তা নিয়ে অপেক্ষা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।